বন্ধুর চিঠি বন্ধুকে
দীপেশ চক্রবর্তী রাঘব বন্দ্যোপাধ্যায়
চিঠিপত্র সে-অর্থে সময়কথন। ফটোগ্রাফি যেমন স্মৃতির স্মারক, চিঠিপত্রও তাই। সময়ের আরেক ফেরে চিঠিপত্র, ফটোগ্রাফি প্রাপকের কাছে আরো কোনো-এক মাত্রা পায়- ইতিহাসের ভাষায় এভিডেন্স বলি যাকে।
সময় ছিল অন্যরকম। বিশ্বাস-বোধ-স্বপ্ন-জীবনযাপন ছিল আজকের থেকে দূরতর। দিনগুলি যেমন নিজের আবর্তে পূর্ণতা পায়, সময়ও প্রায়-তাই; যদিও সময়ের সাদা-কালোর পরেও ধূসর অঞ্চল রয়ে যায়। লেখার সময়ে প্রক্ষিপ্ত মনে হয়েছিল যেসব শব্দ, বাক্য, বাক্যাংশ, সময়ান্তরেই সেইসব নানা অর্থবহ হয়ে ওঠে।
দীপেশ চক্রবর্তী আর রাঘব বন্দ্যোপাধ্যায় বন্ধু। দূর প্রবাসে বন্ধুকে চিঠি লিখতেন রাঘব, আর সম্পূর্ণ ভিন্ন পরিবেশ, প্রতিবেশে বাস করে দীপেশ সেসব চিঠির সূত্রে নিজের কথা বলেন পালটা চিঠিতে। মনন-ভাবনার-চিন্তার নৈকট্য, বৈপরীত্য গড়ে ওঠে স্থানিক দূরত্বের পরেও। চিঠিপত্রের এই সংকলন দুই বন্ধুর সম্পর্কের চিহ্ন, হয়তো-বা সামাজিকতার আরও কোনো চিহ্নসূত্র। রাঘব নেই, এর কোনো সান্ত্বনা নেই। রাঘবের অনুপস্থিতিতেই এই বইয়ে ধরা রইল দুই বন্ধুর বন্ধুতা ও সময়কথন।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি