বাংলার ব্যতিক্রমী পুজোর সন্ধানে
ড. সমুদ্র বসু
বাঙালি সংস্কৃতি বৈচিত্র্য এবং স্বতন্ত্রতায় ব্যতিক্রমী। বাঙালি সংস্কৃতির অপরিহার্য অঙ্গ পুজো- যা ধর্ম, সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যের পরিপূরক। তাই ‘বারো মাসে তেরো পার্বণ’ এর আমাদের পরিচিত প্রচলিত সর্বজনীন পুজোর বাইরে এই বাংলাতেই বিবিধ সময়ে বিবিধ জায়গায় ব্যতিক্রমী পুজো হয়ে আসছে, যেগুলি শতাব্দী প্রাচীন। সেই পুজোর উপাস্যদের মধ্যে আছেন পৌরাণিক থেকে লৌকিক দেব-দেবী। কোনো জায়গায় শুধুমাত্র বিশেষ তিথিতে প্রতিমা গড়ে পুজো হয় ৷ কোনো পুজোর প্রচলিত একটি তিথি সুনির্দিষ্ট থাকলেও স্থান বিশেষে তা অন্য তিথিতে হয়। আবার কিছু জায়গায় প্রচলিত পুজো অথচ ব্যতিক্রমী রূপ । এই তালিকায় আছেন ভগবান রাজরাজেশ্বরী, বিন্ধ্যাবাসিনী, ভুবনেশ্বরী, গঙ্গা, ব্রহ্মা, শমীচণ্ডী, গণেশ জননী, কার্তিক ঠাকুর, কালী ইত্যাদি। ব্যতিক্রমী যেমন তাঁদের উপাসনা, উপাচার তেমনই আকর্ষণীয় তাঁদের নিয়ে বিবিধ কাহিনি। এরকমই বাংলার বিবিধ প্রাচীন অথচ স্বল্পপরিচত, ক্ষেত্রবিশেষে নির্দিষ্ট গণ্ডির মধ্যে থাকা ব্যতিক্রমী পুজোগুলিকে বৃহত্তর পাঠকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যে এই বই।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি