চার জোছনায় পাঁচ রোদ
সিদ্ধার্থ পাল
নরম জোছনা ছবি আঁকে নদীতীরের শিশিরে। সিক্ত বনপলাশের কুঁড়িতে দীর্ঘশ্বাসের ছায়া হয়ে সে ভাবায়। ভাবায়, যদি এমনটা না হয়ে অমনটা হতো, তাহলে কি মনকেমনের জোনাকিরা একইভাবে আসত কাছে? দীঘির একলা ঢেউ, সন্ধের সপ্তর্ষিমণ্ডল, আর পেঁজা মেঘের শরত তারা কবিতার ছন্দ হয়ে ফিরতে পারত কি? ঝলমলে রোদের কিন্তু অন্যরকম প্ল্যান। তার উজ্জ্বল ঝর্না আবীর হয়ে রাঙায় খুশির পানকৌড়ি মুহূর্তগুলোকে। এলোমেলো কলেজ ক্যাম্পাসের উল্লাসে মেশায় তামাটে হলুদ আভা। নিভৃত গ্রামের আলপথ ধরে ছুটিয়ে দেয় লাটাই ধরা সবুজ শৈশবকে। প্রিয় মানুষটির সাথে পাশাপাশি চলার পথে সে সঙ্গ দেয় হৃদয়ের গুনগুন হয়ে। জোছনা, আর রোদ দেখতে শুনতে আলাদা হলে কী হবে, আসলে যে তারা একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। দিন রাতের অন্তহীন আবর্তনে তাই ফিরে ফিরে আসে ভেজা নোনতা গালে হাসির টোল ফেলতে।
'চার জোছনায় পাঁচ রোদ' সংকলনের নয়টি গল্প অনুভূতির এই দ্বৈততাকে দুই মলাটের মাঝে ধরার প্রয়াস করেছে। বানাতে চেয়েছে চিনচিনে বেদনা এবং প্রাণখোলা মজার ইউনিক ককটেইল। সেই পানীয়ের স্বাদ একবার নিয়েই দেখুন হে পাঠক, বুঝবেন গল্পের চরিত্রদেরকে ভুলে যাওয়া সহজ কর্ম নয়।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি