হাতমকশো
সুবর্ণ বসু
কোনও গল্পই আসলে কখনও শুরু হয় না। তার শেষবিন্দু চিহ্নিত করাও দুষ্কর। বহতা জীবন জলধারার মতো। সেখানে ভেসে বেড়ায় নানা চরিত্র, নানা কাহিনি। প্রত্যেকের নিজস্ব বলয় অমোঘ স্পর্শবিন্দুতে ছুঁয়ে থাকে পরস্পরকে। অদৃশ্য জাদুকর একটা-একটা করে পরদা সরিয়ে শূন্য থেকে চয়ন করে নানা বস্তুপুঞ্জ, তার কিছু থাকে, কিছু ফের মিলিয়ে যায় শূন্যে। ঠিক তেমনই এই কাহিনি একেবারে এই সময়ের কলেজ-পড়ুয়া কয়েকজন তরুণ-তরুণীর জীবনের একটা পর্বের কথা বলে। সমসাময়িক বন্ধুত্ব-আবেগ-মান-অভিমানের পাশাপাশি জেগে থাকে অতীত স্মৃতির চোরাটান, ফেলে আসা সম্পর্কের নতুন মোড় নেওয়ার গল্প। শেষ বিকেলের কমলা আলোর মতো জেগে থাকা মায়া-মেদুরতা-মনখারাপ আর পারিপার্শ্বিকের সঙ্গে নিজের স্বপ্ন-কল্পনার অনুপানে আখ্যান রচনার মকশো করে চলে কাহিনিরই এক চরিত্র। টুকরো-টুকরো রঙিন কাপড় জড়ো করে সেলাই করা কাঁথার মতো এই হাতমকশো পাঠকের মন ছুঁয়ে যাবে নিশ্চিত।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি