যে জলে ভেঙেছে মাস্তুল
রুমি বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রচ্ছদশিল্পী : দিবাকর চন্দ
প্রেম কখনও বুকের ভিতর বড় হওয়া ছোট্ট এক চিলতে জলতরঙ্গ আবার কখনও হিমানী সম্পাত। এই গল্পগুলোকে একটা প্রচ্ছদে অনুবাদ করলে দেখতে লাগবে অনেকটা অপরাজিতা রঙের জলের মতো, ব্যথাতুর নীল, গায়ে জড়ানো থাকবে অসমান ঢেউয়ের চাদর। ঢেউয়ের উপর দুলবে একটি নিরীহ নৌকা। হৃদয়ের দোলে যে নৌকা একবার ভেসেছে সে চিনেছে পৃথিবীর গূঢ়তম ক্ষত এবং নিবিড়তম শুশ্রূষা।
ঢেউয়ের তোড়ে একবার নৌকাটি ঊর্ধ্বে উঠেছে। সেই প্লাবন দীর্ঘ চুমুর মতো আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধেছে তাকে। শিরা ওঠা ঠোঁটের উপর ফুটে উঠেছে বর্ণাঢ্য প্রজাপতি। আবার কখনও নৌকাটির কপালে জুটেছে নীরব রক্তপাত, কাঁটাবাহারের আক্রমণ। তাও থামেনি সে। অন্ধ উচ্ছ্বাসে এগিয়ে গেছে। নৌকাটির গা দিয়ে তখন গড়িয়ে পড়ছে এক অপার্থিব আলো এবং সুসংহত অন্ধকার।
মাস্তুল ভাঙা নৌকা আসলে হৃদয়ের শোভাযাত্রা।
"যে জলে ভেঙেছে মাস্তুল" তেরোটি প্রেমের গল্পের সংকলন। কেন সংখ্যাটি 'তেরো' রাখা হয়েছে তার জন্য গ্রন্থের ভূমিকাটি অবশ্যই পড়বেন। সেটা আপাতত গোপন থাক।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি