প্রেতসংহিতা
আত্মা, বার্দো, কায়াকল্পী, প্রেতাত্মা
সোমব্রত সরকার
দেহ ছেড়ে যে এগিয়ে গেছে সে-ই প্রেত। মৃত্যুতে মানুষ যখন দেহকে ছেড়ে যাচ্ছে তখন তার প্রেতাবস্থা। সাধকেরা বেঁচে থেকেও দেহকে ছাপিয়ে চলে যান। আসক্তি ভরা মানুষদের পুনমৃত্যু হয়, এরা বার বার মরে, সাধকেরা মৃত্যুর পর আর পৃথিবীতে ফিরে আসেন না। সাধনার জোরে পরলোকে তাঁরা দেবযানের পথ ধরে এগিয়ে চলে যান। দেহে যখন পূর্ণব্রহ্মের আবির্ভাব ঘটে, সিদ্ধকায়া জেগে ওঠে। এই কায়া দিয়ে অনেক অলৌকিক কার্যাবলী সম্পন্ন হয়।
দেহের কাজ শেষ হয়ে গেছে, আত্মা সাড়া দিতে শুরু করেছে। আত্মার কাজ উর্দ্ধলোকের। কর্মের মায়া থাকে না বলে এই রকমের দেহ দিয়ে এমন সব কার্যাবলী সম্পন্ন হয় যেগুলো কালের গণ্ডিতে আটকে থাকে না। মরকায়, সিদ্ধকায়, কায়াকল্পী, অশরীরী, দেহী, অদেহী ভারতীয় ও তিব্বতি মুনি ঋষি, সন্ত যোগি, মাতাজি যোগিনীদের সাধন উপলব্ধির কথাবার্তা নিয়েই রচিত যোগসিদ্ধির অত্যাশ্চর্য আখ্যান প্রেতসংহিতা।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি