রবীন্দ্রনাথ, রবীন্দ্রসংগীত ও শৈলজারঞ্জন
সম্পাদনা : অনুত্তমা ঘোষ ও শমীক ঘোষ
রবীন্দ্রসংগীতের জগৎ এই ২০২৬ সালেও বাঙালির সংস্কৃতির একটি অতিগুরুত্বপূর্ণ চিহ্ন এবং ধারা বহন করে চলেছে, যা দ্বিধা বিভক্ত এই বাংলার যুগ্ম সংস্কৃতির দ্যোতক। আর এই রবীন্দ্রগান নিয়ে সুখ-দুঃখের বিপুল ঘটনাবলি সমাবেশ রবীন্দ্রনাথের সময় থেকে আজ পর্যন্ত ঘটে চলেছে। দিনেন্দ্রনাথের শান্তিনিকেতন ছেড়ে চলে আসা, ব্রাত্যজনের রুদ্ধসংগীত, শান্তিদেব ঘোষ-এর ভিন্নমত-এসব তো আছেই, সেইসঙ্গে রবীন্দ্রসংগীতের গায়কী, যন্ত্রের ব্যবহার এবং স্বরলিপি-নির্ভরতা নিয়ে নানা মুনির নানা মত। ফলে এই গ্রন্থটিও সেখানে আর একটি শিশির বিন্দু হয়ে রইল, যা দেখা হয় নাই বলা যাবে না।
---------------------------------
২০২০ সালের ২০ জুলাই রবীন্দ্রসংগীতের আচার্য শৈলজারঞ্জন মজুমদারের জন্মের একশো পঁচিশ বছর পূর্ণ হল। রসায়নশাস্ত্রের এই কৃতী ছাত্র ও অধ্যাপক পরবর্তীকালে নিজগুণে রবীন্দ্রনাথের পরম স্নেহাস্পদ হয়ে ওঠেন ও দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুরের মতোই রবীন্দ্রসংগীতের অন্যতম মুখ্য ভান্ডারী হয়ে ওঠেন। এই কিংবদন্তি রবীন্দ্রসংগীত শিক্ষকের প্রাসঙ্গিকতা আজও অম্লান। তাঁর একটি সাক্ষাৎকার-নির্ভর প্রবন্ধ, একটি পূর্ণাঙ্গ প্রবন্ধ এবং অন্য কয়েকটি সাক্ষাৎকার এই গ্রন্থে সন্নিবিষ্ট হয়েছে। এই প্রস্থের অন্যতম প্রধান সম্পদ শৈলজারঞ্জনের একটি এযাবৎ অপ্রকাশিত সাক্ষাৎকার, যেখানে তিনি তাঁর কর্মজীবনের বিভিন্ন অম্লমধুর স্মৃতি রোমন্থন করেছেন।
এই গ্রন্থটিতে শৈলজারঞ্জন তাঁর ব্যক্তিগত জীবন, কর্মক্ষেত্র এবং রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের বিষয়টি নিজের কথায় বলেছেন। যাঁর রবীন্দ্রসংগীত নিয়ে চর্চা করেন, রবীন্দ্রসংগীত যাঁদের জীবনের কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থিত, যাঁরা রবীন্দ্রনাথের বিষয়ে ও তাঁর গানের বিষয়ে বিভিন্ন অজানা তথ্য জানতে চান 'তাঁদের কাছে এ বই অপরিহার্য।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি