শারদীয়া সাহিত্য
ঠাকুরদাস মুখোপাধ্যায়
ছাপাখানার যুগে আগমনী গানের সঙ্গে সঙ্গে ছোট ছোট পুজো সংকলন বাজারে দুই এক পয়সায় বিক্রয় হতো। পরবর্তীকালে প্রকাশিত হয় পুজো সংখ্যা। পুজো উপলক্ষে কত রকমের গান বাঁধা হতো, কত রং তামাশায় পূর্ণ পদ্য ও ছড়া ফাঁদা হতো। কখনো কখনো গদ্য, নকশা, জানা-অজানা কথা ছাপার অক্ষরে আত্মপ্রকাশ করতো। তার মধ্যে সর্বাগ্রে উল্লেখ করতে হয় হুতোমের লেখা। উনিশ শতকের শতকের কলকাতা দুর্গাপূজার এমন জীবন্ত বর্ণনা একালেও পাওয়া যাবে না। হুতোমের দুর্গোৎসবের বর্ণনা জিজ্ঞাসু পাঠকের জানা থাকলেও ঠাকুরদাস মুখোপাধ্যায়ের শারদীয়ার বর্ণনা অনেকের কাছেই অজ্ঞাত। ঠাকুরদাস মুখোপাধ্যায়ের লেখার মধ্য দিয়ে আমরা পুরনো বাংলা ও বাঙালির জীবনের একটা ছবি পাই। রঙ্গ, কৌতুক, তামাশা, নকশা, গল্প এসবই এই বইয়ের মূল উপজীব্য।
শরৎকাল আর দুর্গোৎসব এক সূত্রে বাঁধা। একমাত্র এই দেবতার আবাহনে বাঙালি পুজোকে আনন্দোৎসবে পরিণত করেছে উৎসবকে নিয়েই তার সাহিত্য, তার সৃষ্টি। উনিশ শতকে কলকাতা দুর্গোৎসব নিয়ে বেশ কিছু নকশা বা নাটক লেখা হয়েছে। দুর্গাপুজো নিয়ে গদ্যরচনার উদাহরণ রয়েছে কয়েকটি। ১৮৯৬ সালে ঠাকুরদাস মুখোপাধ্যায় লিখেছিলেন 'শারদীয়া সাহিত্য'।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি