চাঁদ-মোহনায় বাড়ি
অর্ক পৈতণ্ডী
চত্তির মাসের এক গুমোট সন্ধেবেলায় সিন্ধুদার সঙ্গে দেখা করতে এল তানিয়া নামের এক যুবতী। তার সমস্যাটি ভারী অদ্ভুত। বিশেষ কিছু পরিস্থিতিতে সে না কি একটি কালো কুকুর দেখতে পায়। অথচ এমনটা হওয়া অসম্ভব। কারণ, সেই কুকুরটি বহু বছর আগেই মারা গিয়েছে। তানিয়া চায়, সিন্ধুদা এই ঘটনার ব্যাখ্যা দিক। কী ঘটল তার পর? প্রেত-কুকুরের পিছু-ধাওয়া-করে কোথায় গিয়ে পৌঁছোল সিন্ধুদা ও বাবলা?
সিন্ধু মুখোপাধ্যায় অর্থাৎ সিন্ধুদার নিবাস কলকাতার দক্ষিণ সিঁথিতে। বেশ পুরোনো আমলের বাড়ি। পূর্বপুরুষেরা অবশ্য শুধু বাড়িই বানিয়েই ক্ষান্ত হননি, প্রচুর টাকাও রেখে গেছেন। সিন্ধুদাকে তাই পেট চালাবার তুচ্ছ চিন্তায় সময় নষ্ট করতে হয় না। সে মজায় থাকে, প্রচুর বই পড়ে, অকাল্ট নিয়ে চর্চা করে, আর মাঝে-মাঝেই ব্যাগ গুছিয়ে উধাও হয়ে যায়।
তখন দিনের-পর-দিন তার পাত্তা পাওয়া যায় না। যখন সে ফিরে আসে, তখন গল্পের ঝুলি বোঝাই করে নিয়ে আসে। সেই গল্প শোনার জন্য ডাক পড়ে বাবলার। বাবলা পেশাদার কমিক্স-আঁকিয়ে, কলকাতার বইপাড়ায় মোটামুটি পরিচিত নাম। একবার বিপদে পড়ে সিন্ধুদার শরণাপন্ন হতে হয়েছিল, সেই থেকে ঘনিষ্ঠতা। ছবি আঁকার সঙ্গে-সঙ্গে লেখালিখির দিকেও বোধ হয় বাবলার খানিক আগ্রহ আছে, কারণ সিন্ধুদার বেশিরভাগ কাহিনি তার জবানিতেই লেখা। সিন্ধুদার আবির্ভাব মায়াকানন পঞ্চম বর্ষ (২০২০) সংখ্যায়, 'করাল শমন' উপন্যাসে। 'চাঁদ-মোহনায় বাড়ি' এই সিরিজের তৃতীয় উপন্যাস। প্রকাশিত হয়েছিল শারদীয় অন্তরীপ (২০২৩)-এ।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি