ডিটেনশন ক্যাম্প
সঞ্জয় সাহা
“পূর্ববঙ্গ থেকে আশা পরিবারের দারিদ্র্যের সঙ্গে তফাৎ থাকে না ভূমিপুত্রদের অভাবি বারমাস্যার। উত্তরের আম জাম কাশিয়া এলুয়া আর সুটুঙ্গা -মানসাই এর তীরে বাড়তে থাকা উত্তরের দুই বালক ঘাসজীবী না হয়েও, ঘাস কাটতে যায় মুসলমান টারিতে। পাট ক্ষেতের ভেতরে তারা নিজেরা জড়িয়ে পড়ে সমকামিতায়। খেটে খাওয়া হতদরিদ্র মুসলিম পরিবারগুলি স্নেহের আঁচল বিছিয়ে দিতে কার্পণ্য করে না। না, উপন্যাসের ফোকাস এটা নয়। ফোকাসে অন্য একজন যার অস্তিত্বের সংকট।
মানুষ আদতে কি হিন্দু, না, মুসলিম? শারীরিক না মানসিক? জৈবিক না মানবিক? সে নিজের, না, রাষ্ট্রের? আর রাষ্ট্রের ক্ষমতা কি অসীম? প্রাকৃতিক মানুষকে রাষ্ট্র কীভাবে নির্দেশ দেয় সে কোথায় থাকবে না থাকবে? আর এর উল্টো ভাবলেই–‘দেশদ্রোহী’? ডিটেনশন ক্যাম্প! শুধু মানুষ নয়, রাষ্ট্র তো প্রতিনিয়ত ‘ডিটেনশন ক্যাম্প’-এ পাঠাচ্ছে তার নদীকে, তার পাহাড়দের, তার সমস্ত প্রকৃত সম্পদ আর প্রাকৃত জীবনকে—তার বেলা!
এ উপন্যাস পড়লে আপনি ‘দেশদ্রো*হী’ হবেন না ঠিকই কিন্তু প্রশ্নের জন্ম হতে থাকবে অনেক। আর দেখবেন নিভাজ এক উত্তরবঙ্গ।”
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি