গভীর রাতের আতঙ্ক
মৌসুমী দত্ত
"গভীর রাতের আতজ্ঞ নামটিই স্বয়ংসম্পূর্ণ একটি ভয়-ভীতি ও আতঙ্কের পরিমন্ডল। ভূতে বিশ্বাস নেই যাদের তাদের কাছেও ভৌতিক গল্পের আকর্ষণ অপ্রতিরোধ্য। ভূতেরা থাকে কোন খানে' অন্ধকারের কোণে নাকি মানুষের মনে?এই মন কখনও বাক্তিগত, কখনও সামগ্রিক। মনের অবচেতনেই ভূত বাসা বাধে। ভূতের গল্পে যতই ইলিউশন থাকুক, এ গল্পই অনায়াসে পারে বিভিন্ন সময় আর তার প্রতিনিধিদের এক জায়গায় নিয়ে আসতে। ভূত শব্দটির আক্ষরিক অর্থ অতীত কেবল চেনা মানুষজন নয়, সময়ও হারিয়ে যায় কালচক্রের গর্ভে। এই উপন্যাসের পটভূমি নদীয়ার এক অখ্যাত গ্রাম মণিপুর। সেখানে আছে এক পরিত্যক্ত, ভুতুড়ে, রহস্যময় অভিশপ্ত জমিদার বাড়ি। মণিপুরের জমিদার বাড়িতে আশ্চর্য কোনও রহস্য আছে, আছে কালচক্রের গর্ভে হারিয়ে যাওয়া অতীত।। কখনও কান্নার শব্দ, আসবাবপত্র অদুশ্য কিছুর তান্ডব চলে নিশুতি রাতে।
কী এমন আছে ওই জমিদার বাড়িতে? কল্পিত, অরুণাভ, প্রীতম, পুষ্পাঞ্জলি, মেঘা এবং শ্রীজয়ী এই ছয়জন সাহসী তরুণ-তরুণী জীবন বাজী রেখে ছুটে যায় অভিশপ্ত জমিদার বাড়ির রহস্য ভেদ করতে এই রহস্যের সমাধান কি করতে পারবে ওরা? নাকি জড়িয়ে যাবে ভয়ঙ্কর বিপদে?
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি