জাল
আবীর গুপ্ত
২৩ বছর বয়সী অনামিকা বন্ধুদের সঙ্গে পুরীতে বেড়াতে গিয়েছিল, সেখানে জলে ডোবার থেকে বাঁচালো রঞ্জনকে। রঞ্জনের বাবা ওকে ধন্যবাদ জানাতে এসে ওর পরিচয় জেনে কিছু একটা বলতে গিয়েও না বলে পরে বলবেন জানালেন। এর পরই খুন হলেন তিনি। বিদেশ থেকে ওর বন্ধু প্রাইভেট ইনভেস্টিগেটর রাজ ওকে অনুরোধ করল এই খুনের তদন্ত করার জন্য। জীবনে কোনদিন গোয়েন্দাগিরি করে নি, তাই না করে দিল। রাজের বিদ্রুপ আর খোঁচায় জড়িয়ে পড়ল রহস্যের কিনারা করতে। শুরু হলো একের পর এক খুন, ওকে ভয় দেখানো। এর মধ্যে জানতে পারল ওর নিজের বাবাকেও খুন করা হয়েছিল। এক ভয়ানক জাল, যা ছিঁড়ে ও কি রহস্যের সমাধান করতে পারবে? টান টান সাসপেন্স যা পাঠকদের বইয়ের শেষ পৃষ্ঠা অবধি পড়তে বাধ্য করবে। খুনির পরিচয় পাঠকরা পাবেন একদম শেষ কয়েক পৃষ্ঠায়।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি