কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
মানস প্রতিম দাস
বুদ্ধিমান হয়েছে যন্ত্র। কথা শুনে বুঝতে পারে, চাহিদা বুঝে উত্তর শোনায়।
লিখে প্রয়োজন বুঝিয়ে দিলে সাজিয়ে দেয় একটা গোটা প্রেজেন্টেশন। ছবি এঁকে দেয় মানুষের কল্পনার সঙ্গে তাল মিলিয়ে। গল্প রচনা করে দেয় নিমেষে। সবকিছু দেখে বিস্ময় গোপন করতে পারেন না পোড় খাওয়া প্রযুক্তিবিদও। যন্ত্র বুদ্ধিমান হয়ে ওঠার যে সম্ভাবনাকে তাচ্ছিল্য করা হত এক সময় তা আজ অনেকটাই বাস্তব। ব্যাপারটা কীভাবে সম্ভব হল, অঙ্ক আর যন্ত্রের কারসাজিতে কখন কেমন সাফল্য ধরা দিল জানতে উৎসুক অনেকেই। অ্যালান ট্যুরিং থেকে রডনি ব্রুকস অবধি এআই পরিক্রমা নিঃসন্দেহে আকর্ষণীয়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার আজকের পরিমণ্ডলে বড়-বড় কর্পোরেশনের অবদানও অনস্বীকার্য। সেটা জানার আগ্রহও রয়ে গিয়েছে নবীন-প্রবীণের মনে। নতুন-নতুন এআই উপকরণ নিয়ে কৌতূহল তো রয়েইছে। জানা-বোঝার এই আগ্রহকে তৃপ্ত করার লক্ষ্য নিয়ে লেখা এই বই। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জগৎকে নানা দিক থেকে দেখার সুযোগ দেবে দু' মলাটের ভেতরে থাকা সম্ভার। সহজ কথায় বিজ্ঞানের আধুনিকতম ক্ষেত্রকে বোঝার এক দারুণ গাইড।
লেখক পরিচিতি :
বিজ্ঞানের ইতিহাস নিয়ে চর্চা এবং জনপ্রিয় বিজ্ঞান নিয়ে লেখালেখিতে তিন দশকের বেশি সময় ধরে যুক্ত রয়েছেন মানস প্রতিম দাস। বাগ্মী হিসাবেও সমাদৃত তিনি। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিজ্ঞানে স্নাতক, স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পরে পিএইচডি করেছেন বিজ্ঞানের ইতিহাসে। কর্মসূত্রে আকাশবাণী কলকাতার অনুষ্ঠান প্রযোজক। কলকাতার এফ এম রেনবোতে কুড়ি বছর ধরে অবিচ্ছিন্নভাবে চলা 'বিজ্ঞান রসিকের দরবারে' তাঁর সেরা অবদান। লিখেছেন জনপ্রিয় বিজ্ঞানের বহু গ্রন্থ। জাতীয় ও রাজ্য পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছে তাঁর কাজ, বেতার প্রযোজনার জন্য পেয়েছেন আকাশবাণীর একাধিক পুরস্কার। এশিয়াটিক সোসাইটি, বঙ্গীয় বিজ্ঞান পরিষদ সহ বিভিন্ন সারস্বত প্রতিষ্ঠানের সদস্য তিনি। ওয়েস্ট বেঙ্গল অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (সোশ্যাল সায়েন্স বিভাগ) ফেলো। ভালোবাসেন বেড়াতে, ছবি তুলতে।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি