মৃণাল সেন : শতবর্ষের দেখা
সম্পাদনা : সোমেশ্বর ভৌমিক
তিনি কখনোই চাননি প্রশ্নহীন ভালোলাগায় দর্শককে মোহিত করতে। তিনি কখনোই চাননি তাঁর ছবি দেখে খুশি মনে, স্বস্তি নিয়ে বাড়ি ফিরুন দর্শক। তিনি চাইতেন তাঁর ছবি দেখে দর্শকের মনে জাগুক প্রশ্ন, জন্ম হোক চারপাশে সবকিছু যেভাবে চলছে তাই নিয়ে এক নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার। দর্শককে আনন্দে ভরিয়ে দিতে নয়, তাঁকে ভেতর থেকে নাড়িয়ে দিতেই ভালবাসতেন মৃণাল সেন। আটঘাট বেঁধে নয়, ছবি তৈরির পদ্ধতি হিসেবে তাঁর পছন্দ ছিল এক বাঁধনহারা পাগলামি। নিরর্গল কথাক, এক ইঞ্চিও জমি না-ছাড়া তার্কিক মৃণাল সেন অনেক সময়েই সিনেমাকে ব্যবহার করেছেন রাজনৈতিক প্রশ্ন আর তর্ক তোলার মঞ্চ হিসেবে। আবার কখনো সেই মাধ্যমই তাঁর জাদুর ছোঁয়ায় হয়ে উঠেছে নিরুচ্চারে বাশ্ময়, নীরবতায় হিরন্মায়। মৃণাল সেনের ছবি মানুষের অসহায়তার ছবি। ব্যক্তির এবং সমষ্টির প্রতিরোধেরও ছবি। সেইসব ছবির নির্মাতা হিসেবে মৃণাল সেন প্রমাণ করেছেন মানবিকতার দুটি অপরিহার্য চিহ্ন এবং শর্ত দায়বদ্ধতা আর দরদ। এইগুলিকে ঘিরেই মানুষটির ব্যক্তিত্ব আর ফিল্মযাত্রার পর্যালোচনা ধরা থাকল এখানে, দুই মলাটের ভেতরে-তাঁর জন্মশতবর্ষ উপলক্ষ্যে লেখা নানা মেজাজের বাইশটি প্রবন্ধে।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি