পড়তে পড়তে বই পড়া
তীর্থংকর চৌধুরী
প্রচ্ছদ : অপরেশ পাল
বই সম্পর্কে :
বইয়ের এক ভুবন। যে ভুবনে অন্ধ্রপ্রদেশের আজীবন লড়াকু রমণী কোন্ডাপল্লী কোটেশ্বরাম্মার পাশাপাশি হাঁটেন তুরস্কের মহিলা সাংবাদিক ও ঔপন্যাসিক এচে তেমেলকুরান।
আজকের কাশ্মীরের পাশাপাশি থাকে আশি বছর আগের অবিভক্ত বাংলার এক প্রত্যন্ত পাড়া গাঁ। চারশো বছর আগের ঐতিহাসিক চরিত্র বীরবলের পাশাপাশি উঠে আসেন দেড়শো বছরেরও আগের গ্রাম বাংলার যাবতীয় রক্ষণশীলতার শেকল ছিন্ন করে উঠে আসা নারী ডা. হৈমবতী সেন। হেমন্তবালা দেবীকে লেখা রবীন্দ্রনাথের পত্রগুচ্ছের পাশেই থাকে রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের মধ্যে এক কাল্পনিক পত্রগুচ্ছের বিনিময়। ইস্তাম্বুলের লায়লার পাশে থাকেন কলকাতার ইন্দুবালা। বিপ্লবী কবি ভারভারা রাওয়ের কবিতার পাশেই থাকে লাতিন আমেরিকার ইসাবেল আলেন্দের উপন্যাস। স্মৃতিকথার পাশে থাকে স্মৃতিতর্পণের মালা। লকডাউনের দিনগুলোর কথা মনে করিয়ে দেয় হলোকাস্টের দিনগুলোর কথা।
কালে এবং ভুগোলে ব্যাপ্ত আর বিস্তীর্ণ এক ভুবন আর জীবনের কথা জানান তীর্থংকর চৌধুরী। জানান উষ্ণ হৃদয়ে, সংবেদী মনে আর মরমী ভাষায়।
লেখক সম্পর্কে :
তীর্থংকর চৌধুরীর বয়স ৭০। ১০ বছর হল বি এস এন এল থেকে অবসর গ্রহণ করেছেন। চাকরি জীবনে ট্রেড ইউনিয়ন কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ছোটোবেলা থেকেই বই পড়ার অভ্যাস। পারিবারিক পরিবেশেই পড়ার-বইয়ের-বাইরের বই পড়ায় প্রণোদিত হয়েছেন। প্রায় কুড়ি বছর ধরে আগরতলার বিভিন্ন পত্রিকা ও ম্যাগাজিনে লেখালেখি করছেন।
বামপন্থায় আস্থাবান, আগরতলাবাসী তীর্থংকর লেখার চেয়ে পড়াতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। এটি তাঁর দ্বিতীয় বই।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি