প্রসঙ্গ : কলিকাতা
নিশীথরঞ্জন রায়
অধ্যাপক নিশীথরঞ্জন রায় নিজের অজান্তে বিশিষ্ট এক প্রবীণ ঐতিহাসিককে বিপুল ভোটে পরাজিত করে নির্বাচিত হয়েছেন সর্বভারতের ঐতিহাসিকদের সংগঠন ইনস্টিটিউট অব হিসটোরিক্যাল স্টাডিস-এর ডাইরেক্টর। সকলের আশা, এবার এ বাড়ির কপাল ফিরবে। ১৯৭১ সাল থেকে তিনিই মেমোরিয়ালের সেক্রেটারি এবং কিউরেটার। তাঁর স্বপ্ন ছিল আরও অনেক কিছু করার এবং গড়বার। তার মধ্যে হঠাৎ নৈরাশ্যজনক সংবাদ-মেয়াদ ফুরোবার আগেই নাকি ছুটি চাইছেন নিশীথরঞ্জন-কেন? নিশীথবাবুকে প্রশ্ন করে লাভ নেই। ঐতিহাসিকদের কথাবার্তার যে ধরণের নমুনা আছে নিশীথবাবুর কাছ থেকে তা কোন দিনই শোনা যাবে না। উত্তরে তিনি হয়তো স্মিত হাসি উপহার দেবেন। কিন্তু বিষয়টা কলকাতার অসংখ্য ইতিহাস-কর্মীর কাছে নিশ্চয়ই হাসির বিষয় নয়। বলা হয় রাজভবনগুলো রাজনীতিকদের পিঁজরাপোল। ভিকটোরিয়া মেমোরিয়ালও তা-ই হোক, কেউ নিশ্চয় এমন কথা বলবেন না, কিন্তু কাজের মানুষ কেন কাজের সময় পালিয়ে যেতে চাইছেন, সেটা জিজ্ঞাসা করার অধিকার নিশ্চয়ই আমাদের আছে।