প্রেমের কবিতা
কমলেশ কুমার
প্রচ্ছদ : রাজদীপ পুরী
প্রেম আসলে এক স্বপ্ন-অসম্ভবের দেশ : যেখানে পৌঁছনো যেন কখনও সম্পূর্ণ হয় না। অগণিত সঙ্কোচ, অজস্র সংশয়, আর দীর্ঘ অবসাদের ছায়া ঘিরে ধরে ভালবাসাবাসিকে। নির্জন রাতের নিস্তব্ধতায় মানুষ নিজের হৃদয়ের সঙ্গেই লড়াই করে, তবু ভালবাসার দিকে এগিয়ে যেতে চায়। নিঃস্বার্থ সমর্পণের গভীরতা তাকে টানে, আবার অদৃশ্য দূরত্ব তাকে ফিরিয়ে দেয়। প্রেম তাই এক অদ্ভুত দ্বন্দ্ব, পাওয়া আর না-পাওয়ার মাঝখানে দুলতে থাকা এক অনন্ত অনুভূতি। তবু মানুষ বারবার সেই অসম্ভবের দিকেই হাত বাড়ায়, কারণ প্রেমেই লুকিয়ে থাকে জীবনের সবচেয়ে সত্য, সবচেয়ে অমলিন আকাঙ্ক্ষা, আগুন আর নির্জনতা।
এই সংকলনটিতে সাজানো রইল একগুচ্ছ প্রেমের কবিতা, যা কখনও ছায়াময় স্তর পেরিয়ে তৈরি করে মৃদু গুঞ্জন, কখনও। ভালবাসাকে বানায় মেঘ-বৃষ্টি-রোদের মতো, কখনও কোনও পংক্তি জুড়ে উঠে আসে মায়াবী অক্ষর চুম্বন।
লেখক পরিচিতি :
১৯৮৫ সালে হুগলির এক প্রত্যন্ত গ্রামে জন্ম নেওয়া কমলেশের শৈশব গড়ে ওঠে মোড়াম রাস্তার ধুলো, ঝরে পড়া বকুল ফুল, লাল মেঝের বারান্দা, কদমতলার নীরবতায়। গান্ডুর নদীর ধীর স্রোত, শরতের দুলে ওঠা কাশফুল, আর মেঘনীল আকাশ তার কল্পনাকে দিয়েছে অসীম বিস্তার।
নয়ের দশকের সরল, নস্টালজিক সময় তার বুকের বন্দরে ভালবাসার নোঙর ফেলতে শিখিয়েছে।
আলো-হাওয়া, ঘুমচোখের শিশির ও নিস্তব্ধ সকালের ভিতর দিয়ে তিনি পেয়েছেন অনন্তের ব্যাকুলতা, আহ্লাদ, বেদনা।
জীবনের ঘাত-অভিঘাত, ভাঙাগড়া এবং অভিজ্ঞতার অনিবার্যতা তাকে দিয়েছে আরোগ্যের এক নিজস্ব সমীকরণ। অন্তর্গত বেদনার স্বচ্ছ সুর, স্মৃতি-বিস্মৃতি, প্রকৃতি ও জীবনের সূক্ষ্ম অনুভূতিকে তিনি নিয়মিত বুনে চলেছেন আনন্দবাজার পত্রিকা, দেশ, সানন্দা, আনন্দমেলা, এই সময়, শুকতারা, নবকল্লোল, কিশোর ভারতী সহ বাংলার প্রায় সব জনপ্রিয় পত্রিকাতেই।
প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ : লাল পলাশের ভোর, তুমিও না হয় রয়ে গেলে চিরকাল।
প্রকাশিত উপন্যাস : এনকাউন্টার, বারুদ কুয়াশার উপত্যকা, সোনালি রিবন, রাঙা ধূলোর মেঘ।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি