ষড়যন্ত্রের সন্ত্রাস
শিউলী ভট্টাচার্য
বছর দেড়েক যাবৎ পশ্চিমবঙ্গ, উড়িষ্যা ও আসামের কিছু অঞ্চলে ধানের ফলন হঠাৎ বেশ মার খাচ্ছে। বর্ধমানের এক এ.ডি.ও. সন্দেহ করলেন যে ধানের ফলন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার জন্য দায়ী এক বিখ্যাত সার কোম্পানি ‘কৃষক বন্ধু ফার্টিলাইজার লিমিটেড’ এর সার। দেশের শিল্প বাণিজ্য মন্ত্রকও এই খবর জানতে পারে। ঐ সার কোম্পানির কর্ণধার সঙ্কর্ষণ রায় চৌধুরী উত্তর পশ্চিম ভারতে কারখানা তৈরীর জন্য জমির আবেদন জানালে ঐ মন্ত্রক বিষয়টা বিবেচনা করার জন্য ফাইলটা পাঠিয়ে দেয় পি.এম.ও. অফিসে। দেশের পূর্বাঞ্চলের এই বহুল ব্যবহৃত সারের গুণগত মানের আকস্মিক অবনমনে চিন্তায় পড়েন দেশের প্রধানমন্ত্রী। তাঁর নির্দেশে এন.এস.ও. প্রভীন রাওয়াত এর তত্ত্বাবধানে গঠিত হয় এক স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম। তদন্ত যত এগোতে থাকে ততই নানান ভয়াবহ তথ্য সামনে আসতে থাকে। কেন তদন্তকারী দলের সদস্যদের বারবার বিপদের সম্মুখীন হতে হয়? কেন একের পর এক রোমহর্ষক খুনের ঘটনা ঘটতে থাকে? কোন ষড়যন্ত্রের জাল বিছানো হয়েছে ভারতের পূর্বাঞ্চলের ওপর? কারা আছে এই ষড়যন্ত্রের পেছনে? কিভাবে সেই ষড়যন্ত্রে জড়িয়ে পড়েছেন সঙ্কর্ষণ রায় চৌধুরী? কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দল কি পারবে এই ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করতে? এই সব প্রশ্নের উত্তর পেতে হলে পড়তে হবে ‘ষড়যন্ত্রের সন্ত্রাস’। এই উপন্যাসের পরতে পরতে ছড়িয়ে আছে ষড়যন্ত্রের ভয়াবহতার পাশাপাশি মিষ্টি ভালোবাসার সুবাস।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি