আমরা একে অন্যের সুখের সাক্ষী। কিন্তু এই সুখের সময় তো সীমিত। বাকি সময়ের যাত্রা অগ্নিপথেই। ‘অগ্নিপথের সাক্ষী’ উপন্যাস সংসার জীবনের গভীর মনস্তত্ত্বকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। তাই চরিত্রগুলিও সংসার-কেন্দ্রিক। এই উপন্যাসে প্রধান তিনটি নারী চরিত্রের অন্তর্দাহ যেন উপন্যাসের মূল প্রতিপাদ্য। চরিত্রগুলির কেউ প্রাপ্তিতে অতৃপ্ত। কেউ-বা প্রাপ্তির আশায় ব্যাকুল। তবুও ওদের ভালবাসার মানুষটিকে শেষ বিদায়ের ক্ষণে দাঁড়িয়ে নিজেদের করেছে উৎসর্গ—তার সাক্ষী বহ্নিমান চিতা। ফেলে এসেছে সংসারের বাধা-বিপত্তি। হাজারো শুভাকাঙ্ক্ষীর উপস্থিতি যেন-ওই তিন অগ্নিসাক্ষীতেই লীন হয়ে গিয়েছে। ওরাই যেন প্রকৃত অগ্নিপথের সাক্ষী। কিন্তু ওদের জীবনের অন্তর্দাহের সান্ত্বনা কোথায়? জানতে হলে পড়তে হবে ঔপন্যাসিক সুবলচন্দ্র মণ্ডলের লেখা ‘অগ্নিপথের সাক্ষী’ উপন্যাসটি।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি