অজ্ঞাতবাসে
অভিজিৎ চৌধুরী
পৃষ্ঠা : ২৫৬
কলকাতার উপকণ্ঠে প্রশাসনিক দায়িত্ব ছেড়ে তিমিরবরণ চলে এলেন অরণ্যবেষ্টিত ভূমিতে। সেখানে নতুন চোখে আবিষ্কার করলেন মহাভারতের গনগনিকে, আধুনিক ভূগোলে গনগনি বেঙ্গল গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন। তিমিরবরণের অভ্যন্তরে জন্ম হল মহাভারতের নয়া ভাষ্যের। আর প্রাচীন অমলিন সম্পর্কের তিথিডোরে বাঁধা পড়ল শিলাদিত্য ও নদী শিলাবতী আর নানান উপকথা। পরিচয় হল একটি বৃদ্ধাশ্রমের সঙ্গে। সেখানে বাংলা চলচ্চিত্রের যশস্বীতী অভিনেত্রীর সঙ্গে, রয়েছেন এক প্রাক্তন প্রেমিক যুগলও। সেই আবাসে তিমিরবরণ যেন মহাভারতের কথক ঠাকুর। পরবাস লেখকের কাছে কি নিছক কল্পনা ছিল! না, স্বপ্ন ছিল। নিরুত্তর থেকেছেন লেখক। পাশাপাশি পরবর্তী খণ্ডে নভেলা বিবস্বান বলে এক যুবকের যাত্রা নৈরাশ্য থেকে আলোয়। গাছ যেমন সূর্যের আলোর সাহায্যে সালোকসংশ্লেষ করে খাদ্য তৈরি করে। তেমনিভাবে ভারতবর্ষের ভিত্তি হচ্ছে কৃষি। একদিন এক বৃদ্ধের কাছে আসা নিজেকে জানার সালোকসংশ্লেষ হয় বিবস্বানের। সে তার পরিবার নিয়ে উপলব্ধি করে ভূমির কর্ষণ আসলে নিজের অনাবাদি জমিকেও আবাদি করা। জীবনকে সম্প্রসারিত করতে শেখে বিবস্বান।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি