অলীক আঁধার
পিয়ালী ঘোষ
আঁধারের অনেক রং থাকে, অনেক ধরণ থাকে। যারা দেখতে জানে তারা ঠিক দেখতে পায়। সেই আঁধার কখনও থইথই করে আমাদের বুকের ভিতর, আবার কখনও জমতে থাকে চেনা ঘরের অচেনা কোণে। আঁধারের ছোঁয়াচ লাগলে চেনা মানুষ অচেনা হয়ে যায়, পরিচিত মুখশ্রী গলে আলকাতরার মতো ঝরে পড়ে। তেমনই আঁধারের পেটে চলে গেলে আমাদের সুখনীড় হয়ে পড়ে দুঃস্বপ্নের আখড়া। আঁধার বড়ো অচেনা, আপনার পাশে বসত করা মানুষটিকে কেমন ধোঁয়াটে করে তোলে, ধোঁয়াটে করে তোলে আপনার পরিচিত পথঘাট, আপনার নিরাপত্তা, আপনার সুখানুভূতি। সেই আঁধারকে গাঁথা হয়েছে এই বইয়ের পাতায়। সেই কাজ করতে গিয়ে ব্যবহার করা হয়েছে আঁধারচারীদের। গোদা বাংলায় যাকে ভূত বলে। কিন্তু কে না জানে ভয় ভূতে থাকে না, ভয় থাকে অনুভবে। আর ভয়ের অনুভব যে সবথেকে বেশি করাতে পারে সে হলো মানুষ। আসলে এই বইয়ের ভূতেদের চেয়ে নির্মম এই বইয়ের মানুষেরা। পাশের মানুষটাই যখন নির্মম আঁধারচারী হয়ে ওঠে তখন আমাদের দ্বিধান্বিত মন বলে ওঠে “এ কিছুতেই হতে পারে না। এই আঁধার অবাস্তব, অলীক।” কিন্তু ততক্ষণে যা হওয়ার তা হয়ে গেছে, এক অদ্ভুত আঁধার ঘিরে ধরেছে আপনাকে। যে আঁধার থেকে পরিত্রাণের কোনো উপায় নেই। আপনার মন পেন্ডুলামের মতো দুলতে শুরু করেছে লৌকিক আর অলৌকিকের দোলায়। আর আপনি নিজেকে প্রবোধ দেওয়ার জন্য অস্ফুটে উচ্চারণ
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি