অমিয়কায়
অনিন্দিতা মন্ডল
ব্রাহ্মণ আর ব্রাহ্মণ্যবাদের মধ্যে একটি সুক্ষ্ম প্রভেদ আছে। ব্রাহ্মণ না হয়েও প্রচুর মানুষ ব্রাহ্মণ্যবাদকে মদত দেন, লালন করেন। জেনে, বুঝে বা না বুঝে।
দীনকৃষ্ণ ঠাকুর আসলে ব্রাহ্মণ্যবাদকে আক্রমণ করেছিলেন।
আর এই ব্রাহ্মণ্যবাদকে আক্রমণ করার ইতিহাস নতুন কিছু নয়। এই বাংলায় ব্রাহ্মণ্যবাদকে আক্রমণ করে পর্যুদস্ত করেছিলেন চৈতন্যদেব।
একথা হয়ত ঠিক দীনকৃষ্ণ ঠাকুরের সমস্ত কথার সঙ্গে আপনি সহমত হবেন না। আমিও হইনি। হইনি বলেই তাঁর এই ব্রাহ্মণ্যবাদকে চ্যালেঞ্জ করাকে আমি অপরাধের পর্যায়ে দেখিনি।
চৈতন্যকে কম হেনস্থা হতে হয়নি। তাঁকে নবদ্বীপ ছাড়া করার চেষ্টাও কম হয়নি। তবুও ব্রাহ্মণ্যবাদের বিরুদ্ধে তাঁর লড়াইয়ে এক ইঞ্চিও জমি ছাড়েননি।
কিন্তু দুর্ভাগ্য সেই ব্রাহ্মণ্যবাদ তাঁকে একসময়ে গিলে নিয়েছে। ৬০ ফুটের মুর্তি তৈরি হয়েছে। তাঁর কাছে নিবেদিত ভোগ বিক্রি হয় ৫০-১৫০ টকায়। সেই চৈতন্য যিনি কিনা ব্রাহ্মণ-শূদ্র-চণ্ডালকে একই পংক্তিতে বসিয়ে দুবেলায় নিজ হস্তে খাইয়েছেন।
অনিন্দিতা মন্ডল-এর চৈতন্য সেই চৈতন্যদেবকেই ধরতে চেয়েছেন। অমিয়কায় সেই চৈতন্যের চিত্রিত রূপ।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি