অনন্তপুণ্য অতীশ দীপঙ্কর
শর্মিলা বাগচী
বোধিপ্রভ মহাজ্ঞানী অতীশ দীপঙ্কর ও বিস্মৃত প্রায় মহাবিহার বিক্রমশীলার পারস্পরিক সম্পর্কের ওপর আধারিত এই উপন্যাস শুধু পালরাজা ধর্মপাল প্রতিষ্ঠিত এই মহাযান বৌদ্ধ শিক্ষা কেন্দ্রের অপার মহিমাকেই উদঘাটন করেনি একই সাথে এই বিহার থেকে তিব্বতের উদ্দেশ্য অতীতের চির - নিষ্ক্রমণের অকথিত কাহিনীকেও ব্যক্ত করেছে । অতীশ দীপঙ্কর চিরকালীন বাঙালি। তাঁর এই পরিচয় উপেক্ষা করে বর্তমানে ভাগলপুরের কাছে অবস্থিত সাবোর বা সাত্তারের অধিবাসী বলে যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, তার প্রতিবাদ এই উপন্যাসের লক্ষ্য। তদানীন্তন বিহারের জনপদ, অধিবাসী ও পারিপার্শ্বিক সব কিছুর সাথে শ্রী অতীশের ঘনিষ্ট যোগাযোগ সেই সময়ের মানুষের আত্মজীবন , চাওয়া-পাওয়াকে প্রতিবিম্বিত করেছে। উপন্যাসের সাথে জীবনকথার এইখানেই পার্থক্য ।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি