বাল্মীকির রামায়ণে নেই
রাজা ভট্টাচার্য
লক্ষ্মণ গণ্ডি কেটে সীতাকে বলে গেলেন, এর ভিতরে থাকলে রাবণের তাঁকে স্পর্শ করার সাধ্যি নেই। সীতা সেই নিষেধ অমান্য করলেন।
ফলে...?
রামের নাম লিখে যেই-না জলে ছুড়ে দেওয়া হল শিলা, অমনি তা ভাসতে লাগল!...
লঙ্কার যুদ্ধের শেষে রাম তো সীতাকে অগ্নিপরীক্ষা দিতে বললেন!...
এমন হাজারো ঘটনা আমাদের স্মৃতিতে রামায়ণের কাহিনি হিসাবেই সজ্জিত আছে। আর রামায়ণ মানেই যে আদিকবির অর্থাৎ বাল্মীকির রচনা-তা কে না জানে!
মজার কথা হল, উপরে ওই যা যা পড়লেন তার একটাও বাল্মীকি-বিরচিত রামায়ণে নেই। এরা আমাদের কাছে এসেছে নানান সূত্র থেকে!
এই বই চেষ্টা করেছে সেই 'নানান সূত্র'-গুলোকে আলাদা করার। লেখক উত্তর ভারতে সর্বাধিক প্রচলিত তিনটি রামায়ণী ধারার মধ্যে খানাতল্লাশি চালিয়েছেন মূল সূত্রটির খোঁজে।
নিশ্চিতভাবেই, এই বইয়ের প্রত্যেকটা লেখা পড়ার পর আপনিও অবাক হয়ে বলবেন, সে কী! এসব বাল্মীকি-রামায়ণে নেই?