ডাকিনীভিলা এবং
সঞ্জয় ভট্টাচার্য
প্রচ্ছদ - অর্ক চক্রবর্তী
অলংকরণ - রঞ্জন দত্ত
তিনটি নভেলা - (মুক্তি ভিলা, ডাকিনী ভিলা, শুক্লাপক্ষে)
ও দুটি গল্প (মণি ম্যানসনের আতঙ্ক, অপদেবতা)
চিত্রসেনপুর নামটি যেমন কাব্যিক স্থানটিও ঠিক ততটাই সুন্দর, ছোটো ছোটো টিলা আর বুনো ঝোপঝাড়ে ভরতি উন্মুক্ত প্রকৃতির কোলে ছোট্ট একটি গ্রাম। চিত্রসেনপুরের প্রান্তসীমায় জমিদার চৌধুরীবাবুদের পরিত্যক্ত প্রাসাদপম বাড়িটির নাম মুক্তি ভিলা। লোকে বলে এই বাড়িতে নাকি গুপ্তধন লুকানো আছে আর সেই গুপ্তধন পাহারা দিচ্ছে একটি ভয়ংকর প্রেতাত্মা যাকে সবাই ‘যখ’ বলেই জানে।
চাকরি সূত্রে কলকাতার ছেলে সৌম্য মিত্র এসে হাজির হল মুক্তি ভিলায়, বিচক্ষণ, সাহসী পাল্লা দিয়ে লাগাম ছাড়া লোভী সৌম্য কি পারবে যখের রহস্য সমাধান করে গুপ্তধনের হদিশ করতে অথবা উত্তরসুরিদের মতো তারও মৃত্যু হবে হানাবাড়ির নিষ্ঠুর জঠরে? উত্তর রয়েছে মুক্তি ভিলার রহস্যে।
বড্ড বিপদে পরেছে বেচারি অরিন্দম, শুক্লা কিছুতেই তার পিছন ছাড়তে নারাজ, অরিন্দমের ভরাডুবি না দেখা পর্যন্ত শুক্লার শান্তি নেই। এই শুক্লা অবশ্য কোনো সাধারণ নারী নয়, ডেথ সার্টিফিকেট অনুযায়ী শুক্লার মৃত্যু অনেক আগেই ঘটে গেছে, তবে শুক্লার অস্তিত্ব কি নিছকই অরিন্দমের মনের বিকার? শুক্লার আতঙ্কে অরিন্দম কলকাতার চাকরি আর অভ্যস্ত জীবন ছেড়ে গা-ঢাকা দিল শিলং এর পাহাড়ে, অরিন্দম কি শেষ পর্যন্ত পারবে শুক্লার কবল থেকে মুক্তি পেতে? গা-ছমছমে শুক্লাপক্ষের পাতায় পাতায় রয়েছে ভয় আর রহস্যের অদ্ভুত মিশেল।
রানিমহল একটি জরাজীর্ণ হতশ্রী প্রাসাদ, লোকসমাজ বহির্ভূত পরিত্যক্ত প্রান্তরে মূর্তিমান অপয়ার মতো দু-হাত তুলে শতাব্দী প্রাচীন পোড়োবাড়িটি যেন দাঁড়িয়ে রয়েছে দিগ্্ভ্রষ্ট আগন্তুকের রক্তপান করার জন্যে। সবাই বলে রানিমহলের বন্ধ দরজার আড়ালে নাকি একজন সুন্দরী ডাইনির বাস, যার কবলে পরলে মৃত্যু নিশ্চিত।
করোনা মহামারীর আবহে লেখা ভয়াবহ উপন্যাসিকা ডাকিনী ভিলা ভয়পিপাসু পাঠকের চরম প্রত্যাশা ছাপিয়ে যেতে বাধ্য। ডাকিনী ভিলার রহস্যময় অন্দরমহলে আপনাদের সবাইকে স্বাগত।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি