দুর্ভেদ্য দ্বারকা মাহাত্ম্যম
সঞ্চারী ভট্টাচার্য্য
সমুদ্রের অতল গহ্বরে কি আজও স্পন্দিত হয় এক প্রাচীন সাম্রাজ্যের হৃৎস্পন্দন? মহাভারতের পাতা থেকে উঠে আসা সেই রহস্যময়ী নগরী দ্বারকা, যা সহস্রাব্দ ধরে গবেষক ও ভক্তদের কাছে এক অমীমাংসিত ধাঁধা । 'দুর্ভেদ্য দ্বারকা মাহাত্ম্যম' গ্রন্থে ইতিহাসের ধুলোমাখা পথ বেয়ে অন্বেষণ করা হয়েছে সেই পৌরাণিক নগরীর ঐশ্বর্য, আধ্যাত্মিক গূঢ়তত্ত্ব এবং বৈজ্ঞানিক ভিত্তি। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের লীলাভূমি কীভাবে কালের নিয়মে সমুদ্রবক্ষে বিলীন হয়েও আজও অমর হয়ে আছে, তারই রোমাঞ্চকর উপাখ্যান এই বই। পুরাতাত্ত্বিক নিদর্শন আর শাস্ত্রীয় প্রমাণের এক অনন্য মেলবন্ধনে লেখক উন্মোচন করেছেন দ্বারকার দুর্ভেদ্য রহস্য। ইতিহাস ও মিথলজির সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে এই গ্রন্থ পাঠককে নিয়ে যাবে এক বিস্ময়কর মহাজাগতিক ভ্রমণে। গ্রাস করা জলরাশির নিচ থেকে উঠে আসবে এক বিস্মৃত সভ্যতার সত্য।
লেখক পরিচিতি :
সঞ্চারী ভট্টাচার্যের জন্ম, ১৯৯০ সালের ৩ রা জানুয়ারি কলকাতায়। ২০২০ সালে ওনার প্রথম একক বই প্রকাশিত হয়েছিল। ২০২০ তে খোয়াই পাবলিশিং হাউস থেকে মেহেরুন্নিসা, ২০২১ এ বসাক বুক স্টোর থেকে কর্নিকার ল্যাপটপ, ২০২২ এ সিমিকা পাবলিশার্স থেকে শঙ্কা অভিশঙ্কা, ২০২৩ এ অভিশপ্ত অশরীরী (সিমিকা), ২০২৪ এ বরানগর দর্পণ থেকে যে রাতের ভোর নেই, একতারা প্রকাশনী থেকে তন্ত্র পঞ্চক, টাইমলাইন প্রকাশনী থেকে নিশি নিলয়, নতুন লেখনী প্রকাশনা থেকে প্রেত নিশিথে, ২০২৫ এ অনুভূতি প্রকাশনী থেকে সন্দর্ভে শয়তান ও পদ্মিনী, চিতরের অলৌকিক অনলগাথা, অনুরাগ প্রকাশনী থেকে মহাভারতের অনালোকিত নারীরা প্রকাশিত হয়েছে, ২০২৫ এ পালক থেকে প্রকাশিত হয়েছে মহাবলী হনুমান গ্রন্থটি। ২০২৬ এ প্রকাশ পেয়েছে বঙ্গের বিলুপ্ত মন্দির, নিশীথ কুহক, ভয় ২১, শনিবারের রাত, তিমির লিপি, কর্ণপিশাচিনি গুহ্য তন্ত্র মাহাত্য, নেকড়ে মানব, ইত্যাদি বইগুলি। প্রতিলিপিতেও লেখেন তিনি। বাংলাদেশ এর বাংলা প্রকাশ প্রকাশনী থেকে বেরিয়েছে সেই অভিশপ্ত বাড়ি, পর্তুগালের ভয়ঙ্কর, প্রহরনিশির রক্তখেকো, ইত্যাদি। প্রতিলিপির পাঠক সংখ্যা বিশ লক্ষেরও অধিক। এখনও লিখে চলেছেন তিনি।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি