হিরোশিমা নাগাসাকি
নার্গিস পারভিন
হিরোশিমা নাগাসাকির বুকে পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপের ইতিহাস আমরা সবাই জানি।
কিন্তু টার্গেট সিটি হিসেবে কেন বেছে নেওয়া হয়েছিল হিরোশিমাকে?
কার অঙ্গুলী হেলনে বাদ পড়েছিল টার্গেট সিটির তালিকা থেকে কিয়োতো শহরের নাম?
কিভাবে রক্ষা পেল শহর কোকুরা?
আর অন্যদিকে ধ্বংস হল নাগাসাকি?
কিভাবেই বা সেই ধ্বংসস্তূপ থেকে মাথা উঁচু করে আবার উঠে দাঁড়াল হিরোশিমা নাগাসাকি?
পরবর্তীতে কেমন ছিল বোম দুর্গতদের দৈনন্দিন জীবনযাপন?
পারমাণবিক অস্ত্র কোন রূপ দিল সেদিনের বিশ্বকে?
সমগ্র বিশ্বব্যাপী তার প্রভাব কিভাবে নিয়ন্ত্রণ করছে আজকের বিশ্বকে?
এমনই সব কৌতূহলজনক ইতিহাসকে এই গ্রন্থে গ্রন্থিত করেছেন করেছেন লেখিকা।
হিরোশিমার পিস মেমোরিয়াল পার্কের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ এই বই।
পাঁচটি অধ্যায় জুড়ে একদিকে যেমন পরিবেশিত হয়েছে হিরোশিমা নাগাসাকির পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস; অন্যদিকে রয়েছে হিবাকুশাদের যন্ত্রণাবিদ্ধ জীবন যাপনের বিবরণ, বোমা নিক্ষেপকারী দলের এক সদস্যের সাক্ষাৎকারের সরল বঙ্গানুবাদ।
আছে পিস মেমোরিয়াল পার্ক থেকে সরাসরি তোলা অসামান্য কিছু ছবি যা বইটির মর্যাদা বাড়িয়েছে।
বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক প্রাবন্ধিক মলয় রক্ষিত বইটির একটি মূল্যবান ভূমিকা লিখেছেন।
পারমাণবিক বিস্ফোরণ সংক্রান্ত তাঁর অ্যাকাডেমিক বিশ্লেষণ পাঠকের বিশেষ প্রাপ্তি।
একটি অন্যধারার বিরল গ্রন্থ। যে বিষয় নিয়ে বাংলায় কাজ খুম কমই দেখতে পাওয়া যায়। ইতিহাসের সঙ্গে বর্তমানের মেলবন্ধন থাকছে এই গ্রন্থে।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি