হুগলী ও হাওড়ার ইতিহাস
বিধুভূষণ ভট্টাচার্য
গ্রন্থনা : শ্যামল বেরা
প্রচ্ছদ : সুব্রত মাঝি
পৃষ্ঠা:-344
হাওড়া ও হুগলী জেলার প্রাচীন ইতিহাস চর্চায় সঙ্গতভাবে পর্তুগীজদের কথা আসে। ভাস্কো ডা গামা প্রথম কালিকটে এসেছিলেন 1498 সালে। পরে পর্তুগীজ বাংলায় প্রবেশ করেন 1517তে ভাগিরথী নদীতীরে মূলত ব্যবসা বাণিজ্য করার উদ্দেশ্যে। আজকের হুগলীর ইতিহাস বলে এটি অতীতে বাণিজ্য নগরী ছিল--এখান থেকে নদীপথে বাণিজ্য চলত সুদূর চট্টগ্রাম পর্য্যন্ত।সপ্তগ্রাম বন্দরকে কেন্দ্র করে একটি বৃহৎ জনপদ তৈরী হয়েছিল। সেই সময় হাওড়া হুগলীর জেলার অন্তর্গত ছিল। মূল বইটি বিধুভূষণ বাবু দুখন্ডে রচনা করেছিলেন--প্রথম খন্ড প্রকাশিত হয়েছেল 1925 সনে ও তিনবছর পরে দ্বিতীয় খন্ড প্রকাশিত হয়েছিল।ইতিহাস চর্চার ক্ষেত্রে এই বইটি গবেষকদের কাছে মূল্যবান দলিল বলে মনে হয়েছে--লেখক শুরু করেছেন প্রাচীন হুগলী জেলা দিয়ে-- লেখক পরে হাওড়া জেলা সৃষ্টি থেকে শুরু করে স্হানীয় জলহাওয়া, নদী, খালবিল শিল্প ছুয়ে রাঢ় বঙ্গে প্রবেশ করেছেন।দ্বিতীয় খন্ডে মূলত হিন্দু পাঠান সংঘর্ষ ও তৎকালীন হিন্দুদের অবস্থা থেকে শুরূ করে শ্রীচৈতন্যদেব ও নিত্যানন্দ ছুয়ে মুর্শিদাবাদ জেলার ইতিহাস লিপিবদ্ধ করেছিলেন। এই বইটি অনেকদিন সহজলভ্য ছিল না--দুখন্ড একত্রে আবার নতুন করে শ্যামল বেরার গ্রন্থনায় অমরভারতীর সংস্করণটি প্রকাশিত হয় অক্টোবর 2024 এ। 344 পৃষ্ঠার এই বইয়ে বেশ কয়েকটি সাদাকালো ছবিও আছে।