ইতিহাসের সন্ধানে মেজর
কৃষ্ণেন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
পেমা লিংপার পুঁথি
লাদাখের হেমিস মনাস্ট্রির কাছে এক বৌদ্ধ লামার রহস্যজনক মৃত্যু, আর সুপ্রাচীন এক পুঁথি লোপাট। কলকাতার চার বন্ধুর পেছনে গুপ্তঘাতকের দল। ভুটানের উপত্যকায় অজানা মন্দির। জঙ্খা ভাষায় লেখা রহস্যময় চিরকুট। তনুময়ের নোটবুকে হেঁয়ালিভরা সংকেত। কী আছে সেই পুঁথিতে? ৫০০ বছর ধরে কারা এই পুঁথির সন্ধান করে বেড়াচ্ছে? তিব্বতী গাইড নরবুর হাতে ড্রাগনের উল্কি কীসের ইঙ্গিত? তনুময়কে কিডন্যাপই বা করল কারা? কী তাদের উদ্দেশ্য? মেজর মনজিৎ কাপুরের কাছে এ এক নতুন চ্যালেঞ্জ। মেজর কি পারবেন একইসঙ্গে এই জোড়া রহস্য ভেদ করতে?
পিকাতানের শিলালিপি
যেদিন হঠাৎ করেই মেজরের হাতে এসে পড়ল খ্রিস্টীয় নবম শতাব্দীর এক হারিয়ে যাওয়া শিলালিপির ফটোগ্রাফ, আর সেই লিপির ভেতর ইঙ্গিত পাওয়া গেল বিরাট এক গুপ্ত রত্নভান্ডারের, সেই মুহূর্ত থেকেই শুরু হল মেজরের রহস্যসন্ধান। এদিকে সুদূর জার্মানীতে পর্যটক ফ্রেডরিক নিউম্যান অজ্ঞাত আততায়ীর হাতে খুন, আবার যাদবপুর ইউনিভার্সিটির ডঃ খাস্তগীরের বাড়িতে অজানা বিষাক্ত লতার ছোবল। এই সব রহস্যই কি একসূত্রে গাঁথা? মেজর কি পারবেন রহস্যের চাবিকাঠি খুঁজে বার করতে? জাভার মন্দিরের সেই প্রাচীন ইতিহাসের মূলে গিয়ে বিপুল সেই রত্নভান্ডারের সন্ধান কি পাবেন মেজর?