জলসই
যশোধরা রায়চৌধুরী
সমাজমাধ্যমের ক্ষিন্ন বাঁকাচোরা জীবন। তার থেকে ঠিক কতদূরে আমাদের ইনোসেন্স হারানোর বেলা? যখন বালিকা বয়সের সাদা মোজা লেস দেওয়া ফ্রকের দিন শেষ হয়?
শরীরময় ডেয়ো পিঁপড়ের জ্বালা ধরে?
-ওই শোন! প্রেরণাকে চিনিস না? ফেসবুকে যাস টাস না, নাকি?
-তোর ত এরকম কথা ছিল না, প্রেরণা।
-তুই কেন এভাবে! ভাবতে পারছি না!
-এ কোন সকাল, রাতের চেয়ে অন্ধকার।
তুই এটা কী করলি।
-এটা আত্মহত্যা নয়, এটা খুন। না জেনে কথা বলবেন না।
-এরা কারা? যারা ওর মৃত্যুতে কাঁদুনি গাইছে?
পুলিশে যান, পুলিশে যান।
প্রেরণার মতো আরো অনেকে। বুদবুদ তুলে হারিয়ে যায়। এই সমাজে, আশেপাশে। তাদের সবার জন্য এই বই। তাদের সবাই এই বইতে। এক প্রান্তে। অন্য প্রান্তে বাজনদার রমাকান্ত বাজিয়ে চলেছে তার অনন্ত সঙ্গীত। সাধনা চলেছে চির অন্তরাল ধরে। মানসলোকে স্থির প্রতিমার মতো জেগে আছে সুরালোক। মানুষের জীবনের গল্পের এই বিচিত্র, বহুমুখী সম্ভার রইল পাঠকের জন্য। যশোধরা রায়চৌধুরীর সংবেদী কলমে আশ্চর্য মায়ার তস্তুতে জড়ানো।
২০২১ থেকে ২০২৪ এর ভেতর লিখিত এই গল্পগুলির অধিকাংশই প্রকাশিত উত্তরবঙ্গ সংবাদ রবিবাসরীয়, এই সময় রবিবারোয়ারি, পরম্পরা, সাপ্তাহিক বর্তমানের মতো সাময়িক পত্রে বা সাহিত্য পত্রে।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি