কালমেঘ পাতা গুড়ের পায়েস
রূপা সেনগুপ্ত
অতি সাধারণ ঘরোয়া রান্নার কথায় কথায় গড়ে উঠেছে এক পরিবারের গল্প৷ এই গল্প জুড়ে আছে ঠাকুমা দিদিমার ফেলে আসা দেশের বাড়ি ও সেই বাড়ির রান্নার ধরণ৷ ঘরানায় পূর্ব বাংলার দিকে ঝুঁকে থাকলেও রান্নাঘরে মিলেমিশে গেছে দুই বাংলার জীবনযাপন৷
পরিবার যখন যৌথ, সংসার তখন বড়ো৷ সেই বৃহৎ সংসারের গল্প বৃহত্তর হয় স্বজন প্রতিবেশী পরিজনের ছোট বড়ো দৈনন্দিন যাপনের মিশেলে৷ রান্নাঘরের রসদও শুধু বাজার থেকে আসে না, আসে অনেক উঠোনের সবজিবাগান থেকে, আর সেটাই পাল্টে দেয় রান্নার স্বাদ৷
রান্নাঘরের গল্প কখনো সাজানো গোছানো সম্পূর্ণ নিটোল হয় না৷ সেখানে অনেক কথা শুরু হয়, শেষ হয় না৷ গল্পের সেই ফাঁকগুলোই প্রজন্মান্তরে স্মৃতির সম্বল হয়৷ নিরালা দুপুরে কলতলায় বাসন নামিয়ে রেখে আঁচলে হাত মুছতে মুছতে এক কাল থেকে অন্য কালে বিভাবতীরা সেই কাহিনী কথার অসমাপ্ত শেষটুকু ভাবতে থাকেন৷ তখনই অনেক দূরের স্মৃতি থেকে ঠাকুমা দিদিমা মামীমা এসে একটা গল্পের খেই ধরিয়ে দেন, একটা হারিয়ে যাওয়া স্বাদ ফিরিয়ে দিয়ে যান৷ এই ছোট্ট বইটি পড়তে পড়তে আমরাও রান্নাঘরের একটা অসমাপ্ত গল্পের কাছে, ভুলে যাওয়া স্বাদের কাছে ফিরি৷
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি