মৃণাল সেন : চলচ্চিত্র সময় আধুনিকতা
সম্পাদনা : মানবেন্দ্রনাথ সাহা
গ্রীক পরিচালক কোন্তা গাভরাসের মতো মৃণাল সেন বুঝতে পারছিলেন, আমাদের অনেক ছবিই আগামী দিনে রাজনৈতিক চলচ্চিত্র হয়ে উঠবে। তিনি ইন্টারভিউ, কলকাতা৭১, পদাতিক, কোরাস ছবিগুলি বানিয়েছিলেন। মৃণাল তাঁর ছবিতে ব্যারিকেড, মিছিল, প্রতিবাদে মুখর, আশান্ত উদ্দাম শহর কলকাতাকে দেখিয়েছেন। উদ্দীপ্ত জীবন্ত শহর কলকাতা। প্রতিবাদের মধ্য দিয়ে জীবনকে খোঁজেন মৃণাল। তাঁর ছবিতে মধ্যবিত্ত চরিত্রেরা তাদের সমস্ত প্রতিবাদ নিয়ে বৃহত্তর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হন।
'মৃণাল সেন: চলচ্চিত্র, সময়, আধুনিকতা' গ্রন্থটিতে মৃণাল সেনের ছবি নির্মাণের দর্শন, তাঁর রাজনৈতিক থিসিস নির্মাণ, স্বতন্ত্রভাবে তাঁর ছবির আলোচনা ও তাঁর ছবির বৈশিষ্ট।গুলিকে আলোচনার মধ্যে আনা হয়েছে। প্রলয় শূর, সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়, চন্ডী মুখোপাধ্যায়, সুমন বন্দ্যোপাধ্যায়, বিধান রিবেরু, বিলায়েত হোসেন মামুন, অতনু রায়ের লেখা গ্রন্থটিকে আলাদা মাত্রা দিয়েছে। মানস ঘোষ 'আকাশকুসুম' বিতর্ক নিয়ে চমৎকার লিখেছেন। অনিন্দ্য সেনগুপ্ত আলোচনা করেছেন 'খণ্ডহর' ছবি নিয়ে। মানবেন্দ্রনাথ সাহা 'পদাতিক' সিনেমার রাজনৈতিক ভাষ্য, বিধান রিবেরু 'মৃগয়া' ও 'খন্ডহর' এবং প্রত্যুষ পাল 'পরশুরাম' ছবি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলেচনা করেছেন।
গ্রন্থটির পরিশিষ্ট অংশে শমীক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি ইংরেজি সাক্ষাৎকারের অনুবাদ করেছেন শ্যামল ভট্টাচার্য। ডি কে চেরিয়ানের একট মূল্যবান লেখার অনুবাদ করে দিয়েছেন বোধিসত্ত্ব ভট্টাচার্য।
তাঁর নিজের ইমেজ, সিনেমার স্টিল, চলচ্চিত্র পঞ্জি, ছবির পোস্টার গ্রন্থটিকে আকর্ষণীয় করে তুলেছে। তপন রায়ের করা প্রচ্ছদে মৃণালের ছবিটি চমৎকার।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি