মৃত্যুর মুখ
মৃগাঙ্ক ভট্টাচার্য
বাংলা অসম সীমানার মহিষবাথান ফার্মে কাজ করতে এসে দানা বাঁধে আনিস আর জাফরের বন্ধুত্ব। স্থানীয় যুবতী জরির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয় আনিসের। তার সঙ্গে ঘর ছেড়ে পালায় জরি। কিছুদিন পর নদীতে ভেসে ওঠে আনিস আর জরির পচা-গলা লাশ। জাফর ট্রান্সফার নিয়ে চলে যায় কলকাতায়। এক বছর পর সদ্য বিবাহিতা স্ত্রীর সঙ্গে মহিষবাথানের জঙ্গলে বেড়াতে এসে জরি আর আনিসের সঙ্গে আকস্মিকভাবে দেখা হয়ে যায় জাফরের। তাহলে সেদিন নদীর জলে ভেসে ওঠা দুটো লাশ কাদের ছিল?
ভুটান পাহাড় থেকে নেমে এসেছে দোলনা নদী। কালেভদ্রে জল আসে সেই নদীর শুকনো খাতে। তবে হেমগুড়ির লোক জানে, একবার যদি সেই মজা খাতে জল ঢুকে পড়ে, তাহলে অপঘাতে মরতে হয় গ্রামের কাউকে না কাউকে। এক সকালে শুকনো খাতে জল দেখতে পায় কনকচাঁদ। সেদিনই এক ঘনঘোর বৃষ্টির মধ্যে বাড়ি ফেরার পথে সে দেখে, নদীর কিনারে পড়ে আছে হেমগুড়ি গ্রামের মেয়ে ফুলকি। গায়ে একটা সুতোও নেই। লাশকাটা ঘরে নিয়ে গেলে উঠে বসে ফুলকি। তার পর?
একমলাটে ২টি অলৌকিক আতঙ্ক।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি