নাগর দোলা
সুভাষ রায়
নাগর দোলা। ‘নাগর’ অর্থে নাগরিক, ‘দোলা’ অর্থে দোলনা হয়তবা শব বাহনের খাটুলি।
বর্তমান সময়ে সংসার-সমাজ এবং নাগরিক জীবনে যে বৈচিত্র্যময় ঘটনাপ্রবাহ প্রবাহিত হয় তারই আংশিক রূপ প্রতিফলিত হয়েছে এই লেখনীতে।
চারপাশে চোখ মেলে দেখলে খুঁজে পাই হাজার হাজার হিল্লোল, শৈবাল, পলাশ, হিয়া, হিতৈষিণী, তৃষাদের। বর্তমান সময়ের চোরাবালিতে আত্মস্বার্থ চরিতার্থে অনেকেই ডুবে যাচ্ছে; আবার কেউ কেউ ডুবতে-ডুবতে ভেসেও উঠছে। আবার এই সমাজেই এখনও দেখা যায় কতিপয় দেবতুল্য হিতসাধনবাবু, মানবানন্দবাবুর মতো সহৃদয় মানুষদের। যাঁরা পরার্থেই কাজ করে খুঁজে পান জীবনের আনন্দ। আর তাঁরা আছেন বলেই হয়ত এখনও সমাজের নাগররা দোলায় চেপে সকলে শব হয়ে শেষ হয়ে যায়নি। এখনও মানুষ খুঁজে পায় জীবনের আনন্দ। পরহিতে জীবন বাহিত করলে খুঁজে পাওয়া যায় অমৃতের স্বাদ।
আর এই সময়ের নাগররা ছুটে-ছুটে আসে দেব মন্দির এবং দেবদীপের মতো সংস্থায়, জীবনের শান্তির খোঁজে। আর হয়ত সেই অদৃশ্য ঈশ্বরও পথ দেখিয়ে দেন নাগরিক জীবনকে, ‘জীবনের মানে হেরে যাওয়া নয়, বেঁচে থাকার নামই জীবন’। আর সেই নাগরিক জীবনের কথাই বলে— ‘নাগর দোলা’।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি