প্রবীর
প্রসঙ্গ প্রবীর দাশগুপ্ত | বিশেষ বোধশব্দ সংকলন
মৃত্যু যে-বিচ্ছিন্নতার জন্ম দেয়, ঢেকে রাখতে চায় অসহায়তার সুচে বোনা কারুণ্যের ভারী চাদরে—খুব নির্লিপ্ত মুখে সেই চাদরটি তুলে বাতাসে ভাসিয়ে দিতে পেরেছেন তিনি। মহাপুরুষ না হয়েও মৃত্যুর বিপ্রতীপে জীবনকে জিতিয়ে দিয়েছেন। প্রবীর দাশগুপ্ত। তাঁর অকালপ্রয়াণ আমাদের যত-না আহত করে, তার চেয়ে বেশি উদ্দীপিত করে মাত্র কয়েকটি কবিতা লিখে চলে যাওয়ার এতদিন পরও তাঁর সপ্রসঙ্গ উপস্থিতি।
প্রবীর দাশগুপ্তর জন্ম ১৯৬৮ সালে। মৃত্যু একুশ বছর বয়সে, ১৯৮৯। আজ তিন দশক পর পুনরায় তাঁকে ফিরে দেখা। প্রবীরের অপ্রকাশিত ও অগ্রন্থিত কবিতা‑সহ গ্রন্থবদ্ধ যাবতীয় রচনা। গদ্য, চিঠি, পাণ্ডুলিপি, চিত্রকর্ম, ফোটোগ্রাফ। তাঁর উপরে আলোচনা, সাক্ষাৎকার। সবই রইল বিশেষ এই সংকলনে। ‘প্রবীর’। একা ও রঙিন।
পরিচিতি: প্রবীর দাশগুপ্ত
প্রবীর দাশগুপ্তর জন্ম ২ মার্চ ১৯৬৮। মৃত্যু ২৪ মার্চ ১৯৮৯। আটের দশকে খড়্গপুর থেকে কলকাতায় পড়তে আসেন তিনি। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে। ভরতি হন তুলনামূলক সাহিত্য বিভাগে।
অল্পবয়েস থেকেই নিয়মিত কবিতা লিখতেন প্রবীর। ছবি আঁকতেন। কলকাতায় এসে লেখালেখির চর্চা আরও বাড়ে। বন্ধুদের সঙ্গে কবিতায় সম্পৃক্ত এক যাপনে অতিবাহিত হতে থাকে দিন। বিতর্ক, জটিলতা—এসবও থাকে। সবমিলিয়ে যেন এক ঘোরের মধ্যে দ্রুত কাটে সময়। মাত্র একুশ বছর বয়সে তাঁর আকস্মিক মৃত্যু স্তম্ভিত করে দেয় বন্ধু, পরিজনদের। তাঁর মৃত্যুর পর ১৯৯০ সালে প্রকাশিত হয় ক্ষীণকায় ‘প্রবীর দাশগুপ্তের কবিতা’ বইটি। ২০০৮ সালে তাঁকে নিয়ে বিশেষ সংখ্যা করে ‘বোধশব্দ’। তিনটি দশক পেরিয়েও বাংলা কবিতায় তাঁর নাম অম্লান হয়ে রয়ে গিয়েছে।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি
Boier Haat™ | © All rights reserved 2024.