রহস্যের মায়াজালে প্রিয়তোষদা
স্নেহাশিস সামন্ত
প্রিয়তোষদার গোয়েন্দাগিরি' আত্মপ্রকাশের পর এই সিরিজের দ্বিতীয় বই লিখতে গিয়ে একইভাবে ধ্রুব আর বকুলকে দক্ষ সহকারী হিসাবে তুলে ধরেছি। ভুতুড়ে বেগুনকোদর রেল স্টেশনের কাছে মৈত্রবাড়ির গোপন ইতিহাস ঘাঁটতে গিয়ে রহস্যের মায়াজালে প্রিয়তোষদা আবদ্ধ হয়েছে। আপাত নিরীহ প্রতিবন্ধীর আড়ালে লুকিয়ে থাকা একজন মানুষ কত দুর্ধর্ষ অপরাধী হতে পারে সেটা অসামান্য পর্যবেক্ষণ ক্ষমতার সাহায্যে প্রিয়তোষদা আবিষ্কার করেছে। প্রকাশিত না হওয়া পাণ্ডুলিপি পুনরুদ্ধার ও তার সাথে জড়িয়ে থাকা সংঘটিত অপরাধের পর্দা ফাঁস কীভাবে প্রিয়তোষদা করল সেটা এই বইয়ের মূল আকর্ষণ। প্রতিষ্ঠিত ইঞ্জিনিয়ারের মৃতদেহ উদ্ধার হলেও শরীরে কোনও আঘাতের চিহ্ন নেই! এটা খুন, আত্মহত্যা নাকি অন্য কিছু? বিরল বিশ্লেষণী ক্ষমতার গুণে প্রিয়তোষদা ইঞ্জিনিয়ারের মৃত্যুর রহস্য উদঘাটন করেছে, যা রহস্যের মায়াজালে প্রিয়তোষদা বইয়ের মূল ভিত্তি। মা-মেয়ের বিকৃত কামনার পাশাপাশি এক অসহায় নারীর প্রতিশোধের টানটান কাহিনী বর্ণিত রয়েছে এই বইয়ে। মানুষের আদিম প্রবৃত্তিগুলিকে বিনি সুতোর মালায় সুসজ্জিত করে ভিন্ন স্বাদের ৬টি গোয়েন্দা গল্পের সংকলন নিয়ে 'রহস্যের মায়াজালে প্রিয়তোষদা' বইটি আমি আপনাদের সামনে হাজির করেছি।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি