শ্যাডোজ ওভার কলকাতা
দ্বীপচক্র
ইনস্পেক্টর অভিরাজ সেনের তদন্ত করার পদ্ধতি আর পাঁচজন পুলিশ অফিসারের থেকে অনেকটাই আলাদা। রহস্যের গভীরে গিয়ে সবকিছু খুঁটিয়ে দেখা ওঁর অনেকদিনের স্বভাব। ভরসা রাখেন নিজের কর্মক্ষমতা এবং সহকারী পুলিশ অফিসারদের উপরে। নিজেকে একজন লিডার হিসেবে দেখতেই বেশি পছন্দ করেন। সবসময় টিম হিসেবে কাজ করেন। প্রতিটি কেসের কার্যকারণ বিশেষণ করতে গিয়ে একদিকে তিনি যেমন সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের নিখুঁত জেরা করেন ঠিক তেমনই অন্যদিকে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির সুবিধাটুকু নিয়ে ক্রাইমের সাথে ক্রিমিনালের যোগসূত্র নির্মাণ করেন। তাঁরই তৈরি করা পথে কলকাতার বুকে ঘটে যাওয়া একের পর এক মার্ডার কেস সল্প হয়ে যায় নির্দ্বিধায়। প্রতিটি কেসের পট, মোটিভ, ক্রাইম করার পদ্ধতি ভিন্ন। আর তাই, পুলিশি অনুসন্ধান প্রক্রিয়াও পৃথক। শুধুমাত্র রহস্য উদ্ঘাটনের বর্ণনা নয়, বিগত তিন বছরে কলকাতা শহরের বুকে ঘটে যাওয়া এবং সংবাদপত্রে স্থান করে নেওয়া ঘটনাগুলোকেই স্থান, কাল, পাত্রভেদে কিছুটা পরিবর্তন করে এই বইয়ে তুলে ধরা হয়েছে। এই বইয়ের চারটি উপন্যাসিকার মধ্যেই মানুষের মনের গভীরে লুকিয়ে থাকা অন্ধকার আর সেই অন্ধকারে মিশে থাকা অপরাধ বোধের প্রবৃত্তি গুলোকেই তুলে ধরা হয়েছে। ক্রাইমের পিছনে যে মনস্তাত্ত্বিক ওঠাপড়া জুড়ে থেকে সেটাকেই ধরার চেষ্টা করা হয়েছে এই বইতে।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি