শিব সাধনা
ড. স্বামী ইন্দ্রনাথ
পরিচিতি :
স্বামী ইন্দ্রনাথ কোচবিহার জেলার মাথাভাঙ্গার অন্তর্গত ছাট খাগরিবাড়ি (ডাকুয়া বাড়ি) গ্রামে ১৯৭২ সালে ১৯ শে জানুয়ারী জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবার নাম বাবু হরিদাস রায় ডাকুয়া ও মাতার নাম মনোদা দেবী। তিনি ইংরেজি অর্নাস ও স্নাতকোত্তর পাস করেন।
সরকারি চাকরি না থাকায় তিনি গৃহ শিক্ষকতা করেন এর সাথে সাথে তিনি P.H.E বিভাগের কাজ করেন। তিনি ১৯৯২ সাল থেকে ব্রহ্মা, বিষ্ণু, শিব ও শক্তি দেবীর ধ্যান করেন। যাতে আধ্যাত্মিকতা উপলদ্ধি করতে পারেন এবং আট বছর পরে তিনি তাঁর সাধন তত্ত্বের ব্যাখ্যা নানা হিন্দু ধর্মীয় সভায় ব্যাখ্যা করেন। স্বামী ইন্দ্রনাথর ভাষণে তৎকালীন সময় পন্ডিতবর্গ তাকে "স্বামী" উপাধি দেন তাতে উহার নামকরণ হয় স্বামী ইন্দ্রনাথ এবং ৭-১০-৯৬ সালে কোর্ট মাধ্যমে এফিডেভিট হয় যার এস এইচ নাম্বার ১৬৭৭-১৯৯৪ সালে। ১৯৯২ সাল থেকে সময় পেলে তিনি দর্শন ও সাহিত্য সাধনা করেন এবং অনেক মূল্যবান কবিতা ও অমৃতবাণী রচনা করেন। এমন কি তিনি সমাজচিন্তা করতেন এবং সমাজের কুসংস্কার নিয়ে অনেক আলোচনা সভা করেছেন। সমাজের কুসংস্কার দূরীকরণ করিবার জন্য তিনি ২০০৩ সালে "নবচেতন সমাজ" গঠন করেন।
সমাজের কুসংস্কার দূরীকরণ করিবার জন্য তিনি তাঁর নিজের গ্রামে "হরিদাস বাবু" নামে একটি মেলা প্রতিষ্ঠা করেন তাতে যে সকল দেবদেবী পূজা করা হয় সেখানে তিনি নিজেই পুরোহিতের কাজ করেন ২০০৫ সালে ১ লা বৈশাখ। এই মেলাটি এখন মনোদা দেবী ক্লাব ও পাঠাগারের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়। তিনি হলেন এ যুগের একজন সমাজ সংস্কারক।
তিনি স্কুল-কলেজ জীবন থেকে সাহিত্য নিয়ে লেখালেখি করতেন এবং তাঁর লেখা নানা পত্রিকাতে প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর লেখালেখি মূলত সমাজের বিভিন্নস্তরের, আধ্যাত্মিকতার, দর্শনমূলক এবং প্রকৃতি বিষয়ক। তিনি বাংলা, রাজবংশী ও ইংরেজি ভাষায় লেখালেখি করেন। তাঁর লেখা কবিতা সংকলন "সোনার পথ" প্রকাশিত হয়েছে জুন ২০২৩ সালে। তিনি এবারে অর্থাৎ ডিসেম্বর ২০০৫ সালে ডক্টরেট পান সাহিত্য রচনার জন্য। তিনি হলেন সমাজ সংস্কারক, সমাজ সেবক, কবি ও লেখক।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি