রক্তস্নাত ক্যানভাস
সঞ্চারী ভট্টাচার্য্য
রঙের আঁচড়ে যেমন ছবি ফোটে, তেমনই কিছু গল্প রক্ত দিয়ে লেখা হয়। কথাকাহন প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত সঞ্চারী ভট্টাচার্যের 'রক্তস্নাত ক্যানভাস' কেবল আটটি ভৌতিক গল্পের সংকলন নয়, বরং প্রাপ্তবয়স্ক পাঠকদের জন্য এক নিশ্ছিদ্র অন্ধকারের প্রবেশদ্বার। এখানে অতিপ্রাকৃত শক্তির চেয়েও ভয়ংকর মানুষের অবদমিত বাসনা আর আদিম প্রতিহিংসা। লৌকিক আর অলৌকিকের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে প্রতিটি গল্প যেন এক একটি জীবন্ত ক্ষত, যা ক্যানভাসে এঁকে দেয় গা শিউরে ওঠা সব আখ্যান। যখন চেনা ছায়াগুলো কথা বলতে শুরু করবে আর নিস্তব্ধতা হবে কোলাহলময়, বুঝবেন আপনি এই রক্তাক্ত মায়াজালে বন্দি। আপনি কি প্রস্তুত নিজের স্নায়ুর চাপ পরীক্ষা করতে এবং এই আদিম বিভীষিকার মুখোমুখি হতে?
লেখক পরিচিতি :
সঞ্চারী ভট্টাচার্যের জন্ম, ১৯৯০ সালের ৩রা জানুয়ারি কলকাতায়। ২০২০ সালে ওনার প্রথম একক বই প্রকাশিত হয়েছিল। ২০২০ তে খোয়াই পাবলিশিং হাউস থেকে মেহেরুন্নিসা, ২০২১ এ বসাক বুক স্টোর থেকে কর্নিকার ল্যাপটপ, ২০২২ এ সিমিকা পাবলিশার্স থেকে শঙ্কা অভিশঙ্কা, ২০২৩ এ অভিশপ্ত অশরীরী ( সিমিকা), ২০২৪ এ বরানগর দর্পণ থেকে যে রাতের ভোর নেই, একতারা প্রকাশনী থেকে তন্ত্র পঞ্চক, টাইমলাইন প্রকাশনী থেকে নিশি নিলয়, নতুন লেখনী প্রকাশনা থেকে প্রেত নিশিথে, ২০২৫ এ অনুভূতি প্রকাশনী থেকে সন্দর্ভে শয়তান ও পদ্মিনী, চিতরের অলৌকিক অনলগাথা, অনুরাগ প্রকাশনী থেকে মহাভারতের অনালোকিত নারীরা প্রকাশিত হয়েছে, ২০২৫ এ পালক থেকে প্রকাশিত হয়েছে মহাবলী হনুমান গ্রন্থটি। ২০২৬ এ প্রকাশ পেয়েছে বঙ্গের বিলুপ্ত মন্দির, নিশীথ কুহক, শনিবারের রাত, তিমির লিপি, কর্ণপিশাচিনি গুহ্য তন্ত্র মাহাত্য, নেকড়ে মানব, ইত্যাদি বইগুলি। প্রতিলিপিতেও লেখেন তিনি। বাংলাদেশ এর বাংলা প্রকাশ প্রকাশনী থেকে বেরিয়েছে সেই অভিশপ্ত বাড়ি, পর্তুগালের ভয়ঙ্কর, প্রহরনিশির রক্তখেকো, ইত্যাদি। প্রতিলিপির পাঠক সংখ্যা বিশ লক্ষেরও অধিক। এখনও লিখে চলেছেন তিনি।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি