সোনালি প্রজাপতি
দীপান্বিতা রায়
দুই চরিত্র রেনো ওরফে রেনেসাঁ মজুমদার এবং বেটো ওরফে বিতান চক্রবর্তী নার্সারি ক্লাসের বন্ধু্। ছোটোবেলায় গাঁট্টাগোঁট্টা, ভীষণ বদরাগী রেনো যাতে ক্লাসের অন্য ছেলেমেয়েদের মেরে পাট না করে দেয়, সেটা দেখা ছিল বেটোর কাজ। এজন্য সে নিজেও রেনোর হাতে কম মার খায়নি। কিন্তু তবু দু-জনের মধ্যে হদ্দমুদ্দ ভাব। যোধপুর পার্কে পাশাপাশি পাড়ায় বাড়ি। বারো ক্লাস পাশ করে বেটো যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভরতি হয়েছে ইকনমিকসে অনার্স নিয়ে। চমৎকার টেবিল টেনিস খেলে বলে কলেজে সুনাম আছে। রেনো পড়ে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং। ক্যারাটে শিখে তার মাথা ঠান্ডা হয়েছে, তবে মারকুটে স্বভাব যায়নি আর বয়সের সঙ্গে সঙ্গে সাহসও বেড়েছে খুব।
গোয়েন্দা হওয়ার স্বপ্ন কোনোদিনই তাদের ছিল না। তবু ঘটনাচক্রে আজ তারা রহস্যের মুখোমুখি। মামার রক্তে আচমকা আর্সেনিক ধরা পড়তেই রেনো প্রথম বুঝে ফেলে ধীরে-ধীরে বিষ প্রয়োগের কৌশল। বেটোর সঙ্গে মিলে মামার বাড়িতে শুরু হয় নিঃশব্দ অনুসন্ধান—আর সেখানেই একে একে খুলে যায় রহস্যের গিঁট, প্রকাশ্যে আসে আসল অপরাধী।
সেই শুরু। তারপর থেকে পড়াশোনার পাশাপাশি চলছে রহস্যভেদের অভিযান।
বিপজ্জনক বিষচক্রের সন্ধানের পর এবার প্রকৃতিকে রক্ষা করতে প্রকৃতির সাথেই লড়াইয়ে নেমেছে তারা, ধাওয়া করছে এক অদ্ভুত সোনালি প্রজাপতিকে।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি