স্পাই
মৃণালকান্তি দাস
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ তখন পুরোপুরি শেষ হয়নি। ব্রিটিশ নৌ সেনার গুপ্তচর বিভাগের অফিসারটি গল্পের ছলেই বন্ধুদের বলেছিলেন, ''এমন গুপ্তচরের গল্প লিখব যা বাকি সব গুপ্তচরের গল্পকে হার মানিয়ে দেবে।'' কথা রেখেছিলেন ইয়েন ফ্লেমিং। বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার কয়েক বছর পরে লিখে ফেলেছিলেন ক্যাসিনো রয়্যাল। ১৯৫৩ সালে প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই যাকে নিয়ে বিশ্বজুড়ে হইচই শুরু হয়ে গিয়েছিল। উপন্যাসের নায়ক ব্রিটিশ গুপ্তচর জেমস বন্ডের কীর্তিকলাপ নাড়িয়ে দিয়েছিল পাঠকদের। সেই শুরু। গুপ্তচর সংস্থা এমআই ৬-এর এজেন্ট ০০৭-এ রোমাঞ্চকর নানা কার্যকলাপে আজও মজে আছে বিশ্বের জনতা।
কিন্তু বাস্তবে গুপ্তচরদের জীবন বড় কঠিন যারা স্পর্ধায় কিংবা আত্মবিশ্বাসে নিজের পরিচয় দিতেও পারেন না। হারিয়ে যান অন্য কোনও ভয়ঙ্কর জগতে। আসলে এসপিওনাজের সেই রহস্যময় জগত, যেখানে শুধুই সন্দেহ আর অবিশ্বাস, প্রতারণা আর ধোঁকাবাজি। সিআইএ, এফবিআই, মোসাদ, কেজিবি সহ বিশ্বের বিভিন্ন গোয়েন্দাসংস্থার দুর্ধর্ষ কিছু স্পাইয়ের জীবনের টুকরো টুকরো ঘটনা নিয়েই এই বই।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি