বিবেকানন্দের দিগদর্শন
স্বামী বামনানন্দ
দক্ষিণেশ্বরে নরেনের প্রথম আগমনের সময় শ্রীরামকৃষ্ণ তাঁকে বলেছিলেন "জানি আমি, প্রভু, তুমি সেই পুরাতন ঋষি, নররূপী নারায়ণ, জীবের দুর্গতি নিবারণ করিতে পুণরায় শরীর ধারণ করিয়াছ।” তারই ফলিত রূপ, এই গ্রন্থের লেখক স্বামী বামনানন্দের ভাষায় "ধর্ম, বিজ্ঞান, স্বাধীনতা সংগ্রাম, নারী ও শূদ্র জাগরণ, নন্দন তত্ত্ব, ভাষা-সাহিত্য, শিল্প চিন্তা, রাষ্ট্রনৈতিক ও অর্থনৈতিক চিন্তা অর্থাৎ বাস্তব ব্যবহারিক জগতে প্রয়োজনীয় সব কয়টি ক্ষেত্রে তাঁর অবাধ বিচরণ। সে বিচরণ তাত্ত্বিক বা কথার কথা নয়, প্রবল পৌরুষ ও প্রেমসহায়ে প্রাচ্যের ঘুমঘোর নিষ্ক্রিয়তা ও পাশ্চাত্যের বিলাস বৈভব এবং অসহিষ্ণুতার মূলোচ্ছেদ করার কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। তিনি ছিলেন মূর্তিমান শক্তি।
লেখক পরিচিতি :
স্বামী বামনানন্দ রামাকৃষ্ণ সঙ্ঘের একজন বরিষ্ঠ সন্ন্যাসী, বর্তমানে রামকৃষ্ণ মঠ, বরানগরের অধ্যক্ষ। বহু গ্রন্থের জনক ও সম্পাদক। তাঁর লেখায় বৌদ্ধিক উৎকর্ষতা ও জীবনমুখী উদাত্ত আহ্বান বর্তমান গ্রন্থের ছত্রে ছত্রে উদ্ভাসিত। সমস্যা জর্জরিত বর্তমান বিশ্ব সংকটের প্রেক্ষাপটে বিবেকানন্দের সমাধান সূত্রগুলি দৈনন্দিন জীবনে প্রয়োগের মাধ্যমে মানুষ কিভাবে অভ্যুদয় ও নিঃশ্রেয়সের আলোকিত প্রান্তরে পৌঁছোতে পারে, একগুচ্ছ প্রাঞ্জল প্রবন্ধের মাধ্যমে গ্রন্থকার তারই দিশা দিয়েছেন। তাঁর অন্যান্য গ্রন্থের মত "বিবেকানন্দের দিগ্দর্শন” গ্রন্থটিও সর্বজন সমাদৃত হবে এই আমাদের আশা এবং বিশ্বাস।
লেখকের বোধিসত্ত্ব থেকে প্রকাশিত অন্যান্য বই :
তোমাদের চৈতন্য হোক
বিবেকানন্দের নিবেদিতা
এছাড়াও তিনি বহু সেমিনার এবং আলোচনায় ভাষণ দিয়েছেন যেগুলির লিখিত রূপ নান পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি