ভালোবাসার ৭ সতেরো
শম্পা সাহা
আমরা সব শিখি। পড়াশোনা, রান্নাবান্না, এমনকি ছোট বেলায় হাত ধরে বাবা মা, হাঁটতে পর্যন্ত শিখিয়েছেন! এগুলো দরকারী তো বটেই কিন্তু তার থেকেও বড় দরকারি হল জীবন সঙ্গী বা সঙ্গিনী হতে শেখা! চারিদিকে সম্পর্ক ভাঙছো তাতে কেউ দোষ দেয় আধুনিকতার, কেউ ব্যস্ততারা কিন্তু সত্যি কি তাই? আগের জীবন যখন এত ব্যস্ত ছিল না তখন সব কাপল্ বা দম্পতি কি সুখী ছিলেন? নাকি সম্পর্কে থাকতে হয় তাই থেকেছেন! বিয়ের কিছুদিন যাবার পর, কেউ কেউ এক সন্তানের পর কারো কারো তো আবার বিয়ের পর থেকেই সংসারে অবনিবনা! কখনো কখনো তা চাপা দিয়ে অভ্যাস বশে সংসার করে যাওয়া! আবার কেউ কেউ ভেঙে বেরিয়ে আসেন এই গতানুগতিক বাঁধন। কিন্তু চাইলেই এই সাংসারিক সম্পর্কের ছোট ছোট জটিলতা কাটিয়ে ওঠা যায়া দুজন মানুষের একসঙ্গে থাকতে গেলে যে ভালোবাসা দরকার তাকে চাইলেই বাঁচিয়ে রাখা যায় জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত। দাম্পত্য বা যৌথ সম্পর্ক এমনকি বিবাহিত জীবনের যৌনতাও উপভোগ করা যায় প্রতি পদে পদে। শুধু পদ্ধতি জানতে হবে। বিয়ের বা যৌথ জীবনের আগে থেকেই যদি জেনে নেওয়া যায়, ঠিক কী কী করলে সম্পর্ক একটা ভালো সম্পর্কে পরিণত হবে, কোন ভুল না করলেই দাম্পত্য চীর সজীব থাকবে, তার জন্য একটা প্রচেষ্টা 'ভালোবাসার ৭-সতেরো'। এই বইতে যৌথ জীবনে প্রবেশের আগে থেকেই কী করণীয় আর কী নয়, তা ছোট ছোট করে একত্রিত করা হয়েছে। যেগুলো জানলে আপনিও হয়ে উঠবেন 'হ্যাপিলি ম্যারেড', বিয়ের পঞ্চাশ বছর পরেও!
লেখক পরিচিতি :
শ্যামসুন্দর সাহা ও বীনা সাহার প্রথমা কন্যা। জীব শিব মিশন থেকে মাধ্যমিকের পর গুরুদাস কলেজ থেকে স্নাতক। গুঁড়াকন্যা বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষিকা ও একজন পরিচিত সেক্সুয়াল হেল্থ ইনফ্লুয়েন্সার। আবৃত্তি, পরিবেশ বিদ্যা ও সাইকোলজিতে স্নাতকোত্তর। পরবর্তী পড়াশোনা মেডিটেশন, এনার্জি হিলিং, মাইন্ডফুল ইন্টিমেসি, সেক্সুয়াল সাইকোলজি, মেন্টাল হেলথ ও কাপল থেরাপি। ভালোবাসার টানে কখনো কবিতা, কখনো গল্প, উপন্যাস আবার কখনো প্রবন্ধ। 'নিখিলেশ তোমাকে', 'এলোমেলো গল্পগাথা', 'কলমে জীবন প্রবাহ' প্রভৃতি ছাড়াও 'বাহারে বিজ্ঞান', 'এসব কথা বলতে নেই' এর পর 'যেসব কথা হয় না বলা' এবং এইবার 'ভালোবাসার ৭- সতেরো, যেটার মূল উদ্দেশ্য কাপল কাউন্সেলিং, সম্পর্ক গড়ে তোলা ও তা টিকিয়ে রাখার রসদ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া।
মূলতঃ চাকরি, পড়াশোনা, অ্যাওয়ারনেস ওয়ার্কশপ ও তার ফাঁকে ফাঁকেই লেখালেখি। মূল উদ্দেশ্য জনসচেতনতা গড়ে তোলা এ সমাজের সবচেয়ে বড় অন্ধকার ক্ষেত্রগুলোতে, যেমন মানসিক ও যৌন স্বাস্থ্যে এমনকি সম্পর্কেও।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি