দিশা হীনা মোহনা
বনানী শিকদার
আধ্যাত্মিক মানুষ বিশ্বাস করে কেবলমাত্র ত্যাগের মাধ্যমেই ঈশ্বরের সান্নিধ্যে বাস করার যোগ্যতা অর্জন করা যায়, কেবলমাত্র ত্যাগের মাধ্যমেই অনন্ত জীবন লাভ করা যায়, কেবলমাত্র ত্যাগই তাদের পরম সুখ দিতে পারে। ঈশ্বরের সান্নিধ্যে পরম সুখে অনন্ত জীবন কাটানোর লালসায় অনেক মানুষ ত্যাগী হতে চায়, ঘোষণা করে নিজেদের ত্যাগী বলে। কিন্তু দেখেছি তারা ভোগের লালসাকে সঙ্গে নিয়েই চলছে এবং তাদের সেই ভোগের লালসা ভোগীদের চাইতেও অধিক।
অনেক মেয়ের মধ্যে তারকা হতে পারার আত্মবিশ্বাস থাকে। আত্মবিশ্বাস তাদের রঙিন মনগুলোকে আকাশে পৌঁছে দেয়। কিন্তু দেখেছি মনগুলো সেখানে জায়গা খুঁজে পাবার আগেই আকাশের তাদের কাছে রাখা শ্লীলতা বিসর্জন দেবার শর্তের ধাক্কায় মাটিতে ঝরে পড়ে।
অনেক তরুণ-তরুণী জীবনের নামেই পাগল হয়। কাতরাতে থাকে জীবন জীবন করে। তাদের কাতরানো দেখে জীবন আসেও তাদের কাছে, কিন্তু খুব অল্প ক্ষণের জন্য। সেইসব তরুণ-তরুণী জানে না জীবনের দীর্ঘ সঙ্গ পেতে হলে নিজেদের পা-গুলোকে মজবুত করে তবেই তাকে ডাকতে হয়।
বইটির তিন উপন্যাসিকারই মূল চরিত্র মেয়ে।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি