গল্পমঞ্জরী
সুদীপ কুমার মণ্ডল
সমাজের বিভিন্ন স্তরে পরিবেশ, পরিস্থিতি, আর স্বকীয় মনের প্রভাবে আমরা সকলে জীবনবৃত্ত পরিক্রমা করে চলেছি। সব নারী-পুরুষ নিজেদের মতো করে স্ব স্ব স্থানে দাঁড়িয়ে আছে। তাদের মধ্যে কেউ কপর্দকশূন্য হয়েও সমাজের অবক্ষয় রক্ষা করতে জীবন বাজি রেখে প্রতিবাদী হয়; কারো কাছে শিক্ষা ও ভালোবাসার চেয়ে কৌলিন্য মুখ্য হয়ে ওঠে; যার মাশুল, জীবনের বাকি দিনগুলো অনুশোচনায় পুড়তে হয়। কোনো পিতা কঠোর শাসনে কন্যার সুজীবন গড়ে দিয়েও ব্রাত্যই থেকে যায়, যার কোমল পিতৃহৃদয় আবিষ্কৃত হয় তার মৃত্যুর পর। কোথাও বা অর্থলিপ্সা আর অহঙ্কারে অন্ধ পিতা উদাসীনতায় অমানুষ বানিয়ে ফেলে নিজ সন্তানকে। কোথাও দেখা মেলে কঠোর বিচারকের, তবুও তিনি অপরাধীকে চরিত্রশোধনের সুযোগ দেন। আবার বিপরীত দিকে দেখা মেলে ভণ্ড সাধুর; দেখা মেলে বিকৃতকাম নেক্রোফিলিয়ার ঘৃণ্যদর্শ।
নারীদের মধ্যেও নানা রূপেন কেউ সত্যপ্রতিস্থাপিকা আইনজীবী। কারোর পবিত্র প্রেম পরিণতি পাওয়ার আগেই হারিয়ে যায় অকাল মানসিক বৈধব্যে। কেউ পিতার জীবদ্দশায় জানতেই পারল না তাঁর কৃচ্ছসাধন। কোথাও বা ক্যামেরায় ধরা পড়ে মহাবিদ্যালয়ের যুব ছাত্রীর কদাচরন, বেআব্রু বেশ। কোন কোন নারী ইঙ্গভারতীয়। নিজের বিদ্যা-বুদ্ধি ব্যবহার করে স্বার্থ ভুলে গিয়ে ফিরিয়ে আনে বংশমর্যাদার অন্তিম অভিজ্ঞান। সর্বোপরি এক ভারতসুন্দরী দুর্বার জীবনশৈলি থেকে শৃঙ্খলিত জীবনে উত্তরণ।
এগুলির একটিও সমাজ- বহির্ভুত চরিত্র নয়। বরং সেখান থেকে খুঁটে নেওয়া কয়েকটি নমুনা মাত্র।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি