গুপ্তসংঘ : আদি থেকে অন্ত
যুক্তি, তক্কো ও গপ্পো
শান্তনু দে
১৯৩৩ সালে সেবাটেনডর্ফ একটি বই লেখেন, সেখানে তিনি দাবি করেন যে বিখ্যাত থার্ড রাইখ নিজে থেকেই প্রথমে একটি সোসাইটির কাছে আসেন এবং সোসাইটির সদস্যরা তাকে আপন করে নেন। প্রকারান্তরে তিনি বলতে চান যে এই গুপ্ত সংঘই বিশ্বমঞ্চে থার্ড রাইখ এর আগমনের পথ সুগম করে। কারণ, শুরুয়াতি আদর্শ তো প্রায় একই। এ এক ভয়ানক দাবি, যে মানুষটা কিনা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অন্যতম কান্ডারী, তার বিশ্বমঞ্চে আবির্ভাব একটা সিক্রেট সোসাইটির হাত ধরে!
যার সম্বন্ধে রটনা তিনি স্বাভাবিক ভাবেই সত্যিটাকে মোটেও ভালোভাবে নিলেন না। সেবাটেনডর্ফ এর বইটি নিষিদ্ধ হলো। ১৯৩৪ সালে সেবাটেনডর্ফ প্রথমে গ্রেফতার হলেন এবং কিছুদিন পরেই তাকে টার্কিতে নির্বাসিত করা হয়। ১৯৩৫ সালে একটি অ্যান্টি-ম্যাসনিক আইন দ্বারা জার্মানি সকল প্রকার গুপ্ত সংঘ নিষিদ্ধ করা হলো। জার্মানিতে রইল শুধু একটাই সংগঠন, যার মাথা... বুঝতেই পারছেন।
কোন সেই গুপ্ত সংঘ যার সাথে জড়িয়ে ফুয়েরারের নাম? এই সংগঠন থেকেই কি সৃষ্টি সেই বিখ্যাত Deutsche Arbeiterpartei, DAP? ইতিহাসের পাতা থেকে পৃথিবীর গুপ্ত সংঘের বিচিত্র ঘটনা বিশ্লেষিত হয়েছে প্রজ্ঞা পাবলিকেশন প্রকাশিত, শান্তনু দে প্রণীত, "গুপ্তসংঘ : আদি থেকে অন্ত যুক্তি, তক্কো ও গপ্পো" -তে।