হত্যার নৈশপত্র
দিবাকর দাস
শওকত,ওসি হওয়া সত্ত্বেও তেমন একটা ঝামেলার সময় পার করছে না। একদিন সন্ধ্যায় নিজের বাসায় বসে আছে সে। সময় কাটছে অলসভাবে। এমন সময় তার অলসতাকে ব্যস্ততায় বদলে দিতে একটা মেসেজ এল মোবাইলে। সাংকেতিক ভাষায় লেখা সেই মেসেজ দেখে নড়েচড়ে বসতে বাধ্য হল সে। এক সোর্সের কাছ থেকে খোঁজ পাওয়া গেল ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ডের ত্রাস নওশাদের। তিন বছর ধরে তার কোনও নড়াচড়া ছিল না। সবাই ভেবেছে শত্রুপক্ষের হাতে মারা গেছে সে। কিন্তু ভাবনাটা ভুল ছিল। সোর্সের কথা অনুযায়ী রেইড দিল শওকত। ধরাও পড়ল নওশাদ। তাকে নিয়ে আসা হল থানায়। ইন্টারোগেশন শুরু হতেই শওকত বুঝতে পারল, বিষয়টা যত সহজ ভেবেছিল ততটা সহজ নয়। সে ফাঁদে আটকে গেছে। তারপর শুরু হল ছুট। ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ড তোলপাড় হয়ে গেল। বহু আগের ক্ষত কেউ যেন খুঁচিয়ে দিতে সচেষ্ট হয়েছে। সত্য আর মিথ্যার মিশ্রণে সঠিক পথ খুঁজে বের করা সহজ নয়। কিন্তু, পরিস্থিতি যাই হোক না কেন, বেড়াল আর ইঁদুরের লড়াইয়ে বেড়াল সবসময় না জিতলেও, কখনও হারে না; আবার ইঁদুর সবসময় না হারলেও, কখনও জেতে না।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি