হিন্দুধর্ম : ঐতিহ্য ও আধুনিকতার প্রেক্ষিতে

(0 পর্যালোচনা)
লিখেছেন/সম্পাদনা করেছেন
দেবব্রত ঘোষ

মূল্য
₹550.00 ₹600.00 -8%
পরিমাণ
মোট দাম
শেয়ার করুন

হিন্দুধর্ম : ঐতিহ্য ও আধুনিকতার প্রেক্ষিতে 

সম্পাদনা : দেবব্রত ঘোষ 

হিন্দুধর্ম এক প্রাচীন ও বিচিত্র ভারতীয় ধর্মমত, যেটি বহু দর্শন, বিশ্বাস ও অনুশীলনকে একত্রে অন্তর্ভুক্ত করেছে। এটি কেবলমাত্র একটি ধর্মমতই নয়; এটি এক জীবনবীক্ষা, জীবনচর্যা ও জীবনধারা। হিন্দুধর্ম বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম ধর্ম। ভারতের ইতিহাস ও সংস্কৃতির সঙ্গে এটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত, কারণ হিন্দুধর্ম এদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের ধর্ম। জিশু, বুদ্ধ বা মহম্মদের মতো হিন্দুধর্মের কোনো একক ঐতিহাসিক উদ্ভাবক নেই, নেই কোনো সর্বজনীন নীতিমালাও। হিন্দুধর্মের ধর্মগ্রন্থ অনেক—বেদ, উপনিষদ, পুরাণ, মহাভারত, ভগবদ্‌গীতা, রামায়ণ, আগম প্রভৃতি। হিন্দুধর্মের মধ্যে চারটি প্রধান ধর্মীয় গোষ্ঠী লক্ষ করা যায়—শৈবধর্ম, শাক্তধর্ম, স্মার্ত ও বৈষ্ণবধর্ম। তবে হিন্দুধর্মের কোনো কেন্দ্রীয় তত্ত্বসংক্রান্ত কর্তৃত্ব নেই। এতে চারটি পুরুষার্থের কথা রয়েছে—ধর্ম, অর্থ, কাম, মোক্ষ। হিন্দুদের ধর্মীয় অনুশীলন বলতে বোঝায় ভক্তি, পুজো, যজ্ঞ, ধ্যান ও যোগকে। হিন্দু দর্শনের ছটি অস্তিক গোষ্ঠী হল সাংখ্য, যোগ, ন্যায়, বৈশেষিক, মীমাংসা ও বেদান্ত। হিন্দুধর্ম আবহমান কাল ধরে আধ্যাত্মিকতা ও ঐতিহ্যসংক্রান্ত অসংখ্য বিচিত্র ধারণা ও বিশ্বাসকে তার অন্তর্জগতে ধারণ করে রেখেছে। এত উদার, সহনশীল ও পরধর্মসহিষ্ণু ধর্মমত পৃথিবীতে আর নেই। পাশ্চাত্য সভ্যতা-সংস্কৃতির ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে আসার পর উপনিবেশবিরোধী জাতীয় আন্দোলনে জাতীয়ত্ব উদ্বোধনের লক্ষ্যে হিন্দুধর্মের প্রতীক ও প্রকরণগুলিকে ব্যবহার করা হয়েছিল। স্বাধীন ভারতে হিন্দুরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হলেও, এর রাষ্ট্রচরিত্র ধর্মনিরপেক্ষ। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক যে, ১৯৯০-এর দশক থেকে সংঘ পরিবারের ধারাবাহিক তৎপরতা ও ইন্ধনে সেই উদার হিন্দুধর্মই ক্রমশ এক সংকীর্ণ, উগ্র, অসহিষ্ণু ও আগ্রাসী ধর্মমতে রূপান্তরিত হবার উপক্রম হয়েছে। বর্তমান গ্রন্থোদ্যোগে চোদ্দোটি প্রবন্ধের মাধ্যমে ইত্যাকার প্রসঙ্গগুলিই বিশ্লেষিত হল। 

পর্যালোচনা ও রেটিং

0 মোট 5.0 -এ
(0 পর্যালোচনা)
এই বইয়ের জন্য এখনও কোন পর্যালোচনা নেই

সংশ্লিষ্ট বই

বই সংক্রান্ত জিজ্ঞাসা (0)

প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য

অন্যান্য প্রশ্নাবলী

কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি