কালাপানির পরপারে ৩ : বাঙালীর চোখে বিলাত
(১৭৬৬-১৯৫৫)
সংকলন, অনুবাদ ও সম্পাদনা : সোমদত্তা মন্ডল
কালাপানির পরপারে: বাঙালীর চোখে বিলাত গ্রন্থ দুটির প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ডে উনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময় থেকে যত বাঙালি বিলাত ভ্রমণে গিয়েছিলেন, তাদের নির্বাচিত কিছু লেখা থেকে নিয়ে মোট তেত্রিশটি আলেখ্য পেশ করা হয়েছিল। ওই সমস্ত লেখাগুলি ছিল বাংলায়। কিন্তু উনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি কাল থেকে বিলাত ভ্রমণের যত বাঙালির আলেখ্য আমরা পাই তার মধ্যে অনেক লেখাই ইংরাজিতে রচিত হয়েছিল। হয়তো উনবিংশ শতাব্দীর নবজাগরণের সাথে যুক্ত এই সব মধ্যবিত্ত ও উচ্চ মধ্যবিত্ত ব্যক্তিরা ইংরাজিতে লিখতেই বেশী স্বাচ্ছন্দ বোধ করতেন। এঁদের মধ্যে ছিলেন ব্যাবসায়ী, নিছক ভ্রমণপিপাসু ব্যক্তি, রাজপরিবারের সদস্য, ধর্মীয় কারণে অথবা উচ্চশিক্ষার কারণে বিলাতে যাওয়া ব্যক্তি, এবং আরও নানান অভিপ্রায়ে যাওয়া ব্যক্তিবিশেষ। এই ঔপনিবেশিক শাসকের ভাষা ব্যবহারের অবশ্য নানা কারণ পাওয়া যায়। এখানে নির্বাচিত সতেরটি ভ্রমণকাহিনীর অংশবিশেষ (১৭৬৬ থেকে ১৯৫৫ সালের মধ্যে রচিত) মুল ইংরাজি থেকে বাংলায় অনুবাদ করে এই সঙ্কলনের তৃতীয় খণ্ড সম্পাদিত হয়েছে। এদের মধ্যে ব্যতিক্রম একমাত্র প্রথম লেখাটি – আঠারশো শতাব্দীতে রচিত মির্জা শেখ ইত্তেসামুদ্দিনের মূল লেখাটি ইংরাজিতে নয় ফার্সি তে রচিত। আশাকরা যায় যে নিন্মলিখিত ব্যক্তিদের লেখাগুলি পাঠ করে সকলে এই বিলাত ভ্রমণ বিষয়ে আরও নুতন তথ্যের সন্ধান পাবেন।
মির্জা শেখ ইত্তেসামুদ্দিন, রাখালদাস হালদার, মাইকেল মধুসূদন দত্তসুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জি, রমেশ চন্দ্র দত্ত, কেশব চন্দ্র সেনঅরবিন্দ ঘোষ, প্রফুল্ল চন্দ্র রায়, প্রতাপ চন্দ্র মজুমদারত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়, সুনীতি দেবী, নন্দলাল দাসবিপিন চন্দ্র পাল, বিজয়চাঁদ মহতাব, শৈলবালা দাসক্ষিতীশ চন্দ্র ব্যানার্জী, নীরোদচন্দ্র চৌধুরী।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি