মশালের নাম ডিরোজিও
নিখিল কুমার চক্রবর্তী
উনবিংশ শতাব্দীতে হিন্দু কলেজের শিক্ষক হেনরি লুই ভিতিয়ান ডিয়েজিওকে নিয়ে বিতর্ক কখনো থেমে থাকেনি। সেযুগেও ছিল, এখনও আছে। ইয়ং বেঙ্গল' নামে পরিচিত তাঁর ভাবশিষ্যরা সেইসময় কলকাতায় সবরকম গোঁড়ামির বিরুদ্ধে যে আন্দোলন বা বিতর্ক শুরু করেছিলেন তাতে রক্ষণশীলরা কেঁপে উঠেছিলেন। তৎকালীন সময়ে শিক্ষার এক নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছিলেন ডিরোজিও। প্রায় সমবয়সী ছাত্রদের তিনি শিখিয়েছিলেন যুক্তিই সর্বশ্রেষ্ঠ বিচারক এবং যে তর্ক করতে জানে না সে অন্ধ। স্বপ্নায়ু জীবনে তিনি বাংলার অনেক কৃতির ভবিষ্যতের বুনিয়াদ তৈরি করেছিলেন, যাঁরা পরবর্তীতে স্বনামধন্য হয়েছিলেন। শিক্ষক না হলে শুধু কবি হিস্যলেই তিনি বিখ্যাত হতে পারতেন। প্রথম লিখেছিলেন স্বদেশপ্রেমের কবিতা। সমাজ সংস্কারক হিসাবে পরিচিতি লাভেও কোনো বাধা ছিল না। তাহলে তাঁকে নিয়ে এত বিতর্ক কেন? "মশালের নাম ডিরোজিও" -তে তারই অন্বেষণ।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি